চোটে জর্জরিত অস্ট্রেলিয়া প্রধান দুই পেসার প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউডকে ছাড়াই টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মাঠে নামছে। তবুও দুর্বল হয়ে পড়া বোলিং আক্রমণ দিয়েই শিরোপার লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বিশ্বাস রাখছেন নাথান এলিস।
পিঠের চোটের কারণে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। আর অ্যাকিলিস ও হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যায় পুরোপুরি ফিট না হওয়ায় দলে নেই জশ হ্যাজলউডও।
এর আগে এই ফরম্যাট থেকে মিচেল স্টার্ক অবসর নেওয়ায় বিশ্বকাপে নিজেদের শীর্ষ তিন পেসারকেই পাচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া।
জেভিয়ার বার্টলেট ও বেন ডোয়ারশিসকে নিয়ে গড়া পেস আক্রমণের নেতৃত্ব দেওয়া এলিস মনে করেন, অভিজ্ঞদের অভাব নতুন ত্রয়ী মিলেই পুষিয়ে নিতে পারবে।
সোমবার সাংবাদিকদের এলিস বলেন, “গত ১৮ থেকে ২৪ মাস আমরা একসঙ্গে নিয়মিত খেলেছি, যখন ‘বিগ থ্রি’ টেস্ট ক্রিকেটে ব্যস্ত ছিল। আমার মনে হয়, আমরা দল হিসেবে খুব ভালোভাবে একসঙ্গে কাজ করি।
আমাদের প্রত্যেকের দক্ষতা আলাদা। ম্যাচের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে আমরা একে অপরের সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে নিতে পারি। ‘হফ’ (হ্যাজলউড) আর ‘কামো’ (কামিন্স) ছাড়া হলেও এই স্কোয়াড শক্তিশালী।”
বুধবার কলম্বোয় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ ছাড়াই মাঠে নামবেন এলিস। বিগ ব্যাশ লিগে হোবার্ট হারিকেন্সের হয়ে বোলিং করতে গিয়ে হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লেগেছিল তার। এলিস না থাকায় প্রস্তুতি সিরিজে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া।
সাধারণত ডেথ ওভারের বিশেষজ্ঞ বোলার হিসেবে পরিচিত এলিস, পাওয়ারপ্লেতে নয়। তবে হ্যাজলউড না থাকায় নিজের ভূমিকা বদলাতে হতে পারে বলেও স্বীকার করেন তিনি।
এলিস বলেন, “প্রতিটি ম্যাচ আর কন্ডিশন অনুযায়ী মানিয়ে নিতে হবে। বিশ্বের সেরা সাদা বলের বোলারদের একজন ‘হফ’ না থাকায় কিছু পরিবর্তন আনতেই হবে। আমরা যতটা সম্ভব মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব।”