২৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা একেবারেই ভালো হলো না বাংলাদেশের। ইনিংসের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। মাত্র দুই বলের ব্যবধানে সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই আউট হন আরও এক ব্যাটার।
ফলে শুরুতেই কঠিন চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ দল। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩ উইকেটে ২৭ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা।
বর্তমানে ক্রিজে আছেন লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয়। এই দুজনের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে বাংলাদেশের সমর্থকরা।
এর আগে মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে খেলতে থাকেন পাকিস্তানের ওপেনার মাজ সাদাকাত। অন্য প্রান্তে তাকে সঙ্গ দেন সাহিবজাদা ফারহান।
মাত্র ৩১ বলে ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করেন সাদাকাত। দুই ওপেনারের ব্যাটে দ্রুত রান আসে এবং তাদের জুটিতে যোগ হয় ১০৩ রান।
ইনিংসের ১৩তম ওভারে সাদাকাতকে আউট করে এই জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আউট হওয়ার আগে ৪৬ বলে ৭৫ রান করেন সাদাকাত। তার ইনিংসে ছিল ছয়টি চার ও পাঁচটি ছক্কা।
এরপর ব্যাট করতে নামেন তরুণ ক্রিকেটার শামিল হুসাইন। শুরুতে সাহিবজাদা ফারহানকে সঙ্গ দিয়ে দেখেশুনে খেলছিলেন তিনি। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ফারহান। আউট হওয়ার আগে ৪৬ বলে ৩১ রান করেন তিনি। কিছুক্ষণ পর সাজঘরের পথ ধরেন শামিলও। তিনি ২২ বলে ৬ রান করে আউট হন।
চতুর্থ উইকেটে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা। দুজন মিলে করেন ১০৯ রানের জুটি, যা পাকিস্তানকে বড় স্কোরের ভিত এনে দেয়।
বিতর্কিত রান আউট হওয়ার আগে ৬৩ বলে ৬৪ রান করেন সালমান আলি আগা। তার ইনিংসে ছিল সাতটি চার ও একটি ছক্কা। অন্যদিকে মোহাম্মদ রিজওয়ান করেন ৪৪ রান।
এই দুই ব্যাটার আউট হওয়ার পর আর বড় অবদান রাখতে পারেননি পাকিস্তানের বাকি ব্যাটাররা। শেষ ছয় ব্যাটারের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন ফাহিম আশরাফ। এছাড়া আব্দুল সামাদ ১১, হুসাইন তালাত ৯, শাহীন শাহ আফ্রিদি ৩, মোহাম্মদ ওয়াসিম ১ এবং হারিস রউফ ২ রান করেন।
বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার রিশাদ হোসেন, তিনি নেন তিনটি উইকেট। এছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ দুটি উইকেট পান এবং অন্য তিন বোলার একটি করে উইকেট নেন।
