টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা মোট ৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা পুরস্কার পেয়েছে। একইসাথে সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে যাওয়া ইংল্যান্ড পেয়েছে ৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা, অর্থাৎ দক্ষিণ আফ্রিকার তুলনায় ২৯ লাখ টাকা কম।
অর্থে পার্থক্য থাকলেও আইসিসির পুরস্কারের মূল্যে বৈষম্য নেই। দক্ষিণ আফ্রিকা সুপার এইট পর্যন্ত সব ম্যাচে জিতেছিল, তবে সেমিফাইনালে হেরে যায় নিউজিল্যান্ডের কাছে। সুপার এইটে জেতা সাতটি ম্যাচের জন্যও তারা অতিরিক্ত অর্থ পেয়েছে। সব মিলিয়ে তাদের আয় দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা।
ইংল্যান্ডও সেমিফাইনাল খেললেও গ্রুপ পর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরেছিল। তাই হ্যারি ব্রুক ও সহকর্মীরা সব মিলিয়ে পেয়েছেন ৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।
ভারত বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হলেও সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরেছে। ফলে সুর্যকুমার যাদব ও ভারতীয় দল সম্ভাব্য সর্বোচ্চ আর্থিক পুরস্কার পাননি। তাদের মোট আয় হয়েছে ২৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। রানার্স আপ নিউজিল্যান্ড পেয়েছে ১৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা।
প্রতিটি দল ন্যূনতম ২ কোটি ৭ লাখ টাকা পেয়েছে। এর সঙ্গে ম্যাচ জয়, প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত স্থান এবং প্রতিটি পর্বে যোগ্যতার জন্য আলাদা অর্থ পুরস্কারও যোগ হয়েছে। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের মোট আর্থিক পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়েছে।
গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র মোট ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা পেয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ পেয়েছে ৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, আর পাকিস্তান পেয়েছে ৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা।
