ভারত ও চীন—বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ। যেখানে ফুটবল ভক্তের সংখ্যাও লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি। কিন্তু ঠিক সেই দুই দেশেই আগামী বিশ্বকাপের সম্প্রচার নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় শঙ্কা। কেন? এখনো পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি সম্প্রচার স্বত্বের চুক্তি।
চীনে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি নেই। অথচ ফিফার তথ্য বলছে, ২০২২ বিশ্বকাপে ডিজিটাল ও সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে বিশ্বজুড়ে যত মিনিট খেলা দেখা গিয়েছিল, তার প্রায় অর্ধেকই (৪৯.৮ শতাংশ) ছিল চীনের দখলে। আর ভারতের অবস্থাও প্রায় একই।
ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বের অন্তত ১৭৫টি অঞ্চলের সম্প্রচারকারীদের সঙ্গে চুক্তি হয়ে গেছে। রয়টার্সকে ফিফা এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘চীন ও ভারতে এখনো আলোচনা চলছে। এই মুহূর্তে বিষয়টি গোপন রাখা আবশ্যক।’
কিন্তু অভিজ্ঞরা বলছেন, এত দেরি করে চুক্তি করা একেবারেই স্বাভাবিক নয়। কারণ ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপের আগে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম অনেক আগেই স্বত্ব কিনে ফেলেছিল। আর টুর্নামেন্ট শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগেই শুরু করেছিল জমিয়ে প্রচার।
আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হবে বিশ্বকাপ। অর্থাৎ হাতে সময় всего পাঁচ সপ্তাহ। এত কম সময়ে চুক্তি করা, সম্প্রচার ব্যবস্থা তৈরি করা আর স্পন্সরদের বিজ্ঞাপনের জায়গা বিক্রি করা—সত্যি বেশ চ্যালেঞ্জের।
