বলিউড থেকে হলিউড—দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। কোনো ফিল্মি পরিবারের ব্যাকগ্রাউন্ড ছাড়াই শুধুমাত্র নিজের মেধা আর কঠোর পরিশ্রমের জোরে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন বিনোদন জগতে। তবে এই সফলতার পথটা মোটেও সহজ ছিল না।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা খোলামেলা কথা বলেছেন বলিউডের ভেতরের ‘রাজনীতি’ এবং তার বিরুদ্ধে হওয়া নানা ষড়যন্ত্র নিয়ে।
প্রিয়াঙ্কা জানান, ক্যারিয়ারের একেবারে শুরুর দিকে তিনি বলিউডের জটিল রাজনীতির কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তার ভাষায়, “আমি যখন ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন আসি, তখন ‘নেপোটিজম’ বা স্বজনপ্রীতি শব্দটার মানেই বুঝতাম না।”
তিনি আরও বলেন, “আমি ভাবতাম, আমার বাবা-মা যেমন আমার সাফল্য চান, তেমনি বড় তারকারাও তাদের সন্তানদের সফলতা চাইবেন—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু পরে ধীরে ধীরে আসল রাজনীতিটা বুঝতে শিখলাম।”
ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রিয়াঙ্কা যখন ‘সালাম-এ-ইশ্ক’ ছবির শুটিং করছিলেন, তখন তিনি একটি বড় হিন্দি ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পান এবং চুক্তিও সই করেন। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে তাকে সেই প্রজেক্ট থেকে বাদ দেওয়া হয়।
প্রিয়াঙ্কার দাবি, সেই ছবির সহ-অভিনেতা সেটে এসে তাকে সরাসরি জানান যে, তাকে আর ছবিতে রাখা হচ্ছে না। চুক্তি স্বাক্ষরের পর এমন আচরণে তিনি পুরোপুরি হতবাক হয়ে যান।
এছাড়া ক্যারিয়ারের আরেক পর্যায়ে তাকে জানানো হয়েছিল যে, একটি ছবির মূল চরিত্রে তিনি থাকবেন, কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাকে সরিয়ে অন্য অভিনেত্রীকে নেওয়া হয়।
দুই নায়িকার চরিত্র থাকার কথা থাকলেও কৌশলে প্রিয়াঙ্কাকে বাদ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। বলিউডে শুরু থেকেই একের পর এক প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়ে একসময় তিনি অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার কথাও ভেবেছিলেন। এমনকি বিকল্প পেশার দিকেও মনোযোগ দেওয়ার চিন্তা করেছিলেন তিনি।
