ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগে পাকিস্তানের সাবেক জেনারেল গ্রেপ্তার

জাতীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জনগণকেত উস্কানি প্রদানের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া অবসরপ্রাপ্ত লে. জে. আমজাদ শোয়েবকে তিন দিনের রিম্যান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। গ্রেপ্তার হওয়ার একদিন আগে রমনা থানায় একটি এফআইআর করেন ম্যাজিষ্ট্রেট ওয়াইস খান। পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১৫৩এ ও ৫০৫ ধারায় মামলাটি নথিভুক্ত হয়। ডন

ম্যাজিষ্ট্রেট খানের অভিযোগে বলা হয়, বিওএল টিভি শো ‘ইমরান খান বোল কে সাথ’র এক সাক্ষাৎকারে উক্ত জেনারেল বিরোধী দল এবং সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে ঘৃণা ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছেন। ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্বাস শাহের আদালতে তোলা হয় সাবেক এই সেনা কর্মকর্তাকে। শুনানিকালে আদালতকে প্রসিকিউশন থেকে জানানো হয়, সাবেক এই তিন তারকা জেনারেলের বিরুদ্ধে কি মামলা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার সাত দিনের রিমাণ্ড দাবি করা হয়। আদালতের কাছে এই আইনজীবী বলেন, সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি ফটোগ্রাম্যাট্রিক টেস্ট করা দরকার এবং এ জন্য তাকে লাহোর নেয়া প্রয়োজন।

লেফটেন্যান্ট শোয়েবের আইজীবীদের মধ্যে রয়েকেছন মুদাচ্ছির খালিদ আব্বাসি, ইসলামাবাদ বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট কায়সার ইমাম এবং অ্যাডভোকেট রিয়াসাত আলী আজাদ। আইনজীবী মুদাচ্ছির খালিদ আব্বাসি রিমাণ্ড আবেদনের বিরোধিতা করে তার মক্কেলের মুক্তি দাবি করেন। তিনি বলেন, আমজাদ শোয়েবের বিরুদ্ধে এফআইআরে যে ধারা ব্যবহার করা হয়েছে, তা তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতির উদাহরণ দিয়েছেন শুধু তার মক্কেল। তিনি আরও দাবি করেন আমজাদ শোয়েবের বিরুদ্ধে যে মামলা করা হয়েছে তা রাজনৈতিক কারণে। এর মধ্য দিয়ে তার মক্কেলকে হয়রান করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। মুদাচ্ছির আব্বাস আরও বলেন, যদি সমালোচনা অন্যায় হয়, তাহলে বিরোধিতার সিস্টেমকে বাতিল করে দেন।

আমজাদ শোয়েবের আরেকজন আইনজীবী কায়সার ইমরান আদালতে বলেন, কিছু শব্দ উচ্চারণের কথা স্বীকার করেছেন সাবেক ওই সেনা কর্মকর্তা। তাই ফটোগ্রাম্যাট্রিক পরীক্ষা এবং ভয়েস ম্যাচিং পরীক্ষা করার কোনো প্রয়োজন নেই।

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads