গত ৫ বছরের ইউরোপের অস্ত্র আমদানি ৪৭ শতাংশ বেড়েছে, রপ্তানি শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র  

ইউরোপীয় দেশগুলো ২০২২ সাল পর্যন্তু গত পাঁচ বছরে অস্ত্র রপ্তানি ৪৭ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। আর বিশ্বে মোট অস্ত্র রপ্তানির ৪০ শতাংশই করে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগের দেশটির শেয়ার ছিল ৩৩ শতাংশ। একটি গুরুত্বপূর্ণ থিংক ট্যাংক আজ সোমবার একথা জানায়।

কয়েক বছর ধরে উত্তেজনা চলার পর গত বছর রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালায়। এতে ইউরোপ দেশগুলো তাদের প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। বিশ্বব্যাপী অস্ত্র সরবরাহ কমে গেলেও রাশিয়ার সঙ্গে উত্তেজনার কারণে ইউরোপের অধিকাংশ দেশ দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র সংগ্রহ জোরদার করেছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পির রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) এক বিবৃতিতে একথা জানান।

এসআইপিআরআই গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র বলতে জঙ্গী বিমান, ট্যাংক, কামানের গোলা, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য ভারি অস্ত্র ব্যবস্থা। এসআইপিআরআই জানায়, মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটোভুক্ত ইউরোপীয় দেশগুলো বিগত ৫ বছরে অস্ত্র আমদানি ৬৫ শতাংশ পর্যন্তু বৃদ্ধি করেছে। তবে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক অস্ত্র সরবরাহ এ সময়ে হ্রাস পেয়েছে ৫.১ শতাংশ।

গত ৩০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম ও দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বহাল রয়েছে। ২০১৩-১৭ সাল পর্যন্তু যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ১৪ শতাংশ। দেশটি বিশ্বে মোট অস্ত্র রপ্তানির ৪০ শতাংশের অংশিদার। রাশিয়া অংশিদার ২২ শতাংশ যা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ১৬ শতাংশ কম।

এসআইপিআরআইএর সিমোন টি ওয়েজম্যান বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার অস্ত্র রপ্তানির সীমা আরো কমে যাবে। রাশিয়া তার সশস্ত্র বাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহ করাকে অগ্রাধিকার দেবে। অন্য দেশের কাছে অস্ত্র সরবরাহ মস্কোর ওপর অবরোধের কারণে কম থাকবে। এসআইপিআরআই ২০২২ সালে সতর্ক করে দেয় যে, আগামী বছরগুলোতে বিশ্বব্যাপী পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা বাড়তে পারে।

ক্যাপশন: আলাবামার ট্রয়ে লকহীড মার্টিনের অস্ত্র কারখানায় ট্যাংক বিধ্বংসী জাভেলিন ক্ষেপনাস্ত্রে সংযোজন পরিদর্শন করছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads