জাপানে ছুরিকাঘাত ও গুলিতে পুলিশ সদস্যসহ নিহত ৪

জাপানের স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে ছদ্মবেশী হামলাকারী প্রথমে এক নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। তারপর একটি শিকারের রাইফেল ব্যবহার করে সে আরো ৩ জনকে হত্যা করে। জাপানের নাগানো জেলার নাকানো শহরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।নিহতদের মধ্যে ২ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন।একই ঘটনায় আরো একজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনার পরে পুলিশ হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। জাপানে এমন হামলার ঘটনা বিরল।

জাপানি বার্তা সংস্থা কিয়োডোর জানায়, স্থানীয় সময় আনুমানিক বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে পুলিশ একটি ফোন পায় যে, এক ব্যাক্তি এক নারীকে ধাওয়া করে ছুরিকাঘাত করছে। পুলিশ কর্মকর্তারা সেখানে ছুটে যাওয়ার পর ওই ব্যক্তি তাদের লক্ষ্য করেও গুলি চালায়।

লোকটি সে সময় নিজেকে নাকানো সিটি অ্যাসেম্বলি স্পিকারের বাসভবনের ভেতরে লুকিয়েছিল। সন্দেহভাজন ব্যক্তি নগর এসেম্বলির স্পিকার মাসামিচি আওকির ছেলে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমে খবরে বলা হয়েছে। সন্দেহভাজন খুনি আটকের আগে কয়েক ঘন্টা বাড়িতেই আত্মগোপন করেছিল।

এ হামলার উদ্দেশ্য স্পষ্ট নয়। একজন প্রত্যক্ষদর্শী তাকে জিঙ্গাসা করেন, মহিলাকে কেন ছুরিকাঘাত করছেন, জবাবে সে বলে, আমি ওকে হত্যা করতে চাই। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, লোকটি ৩০ সেন্টিমিটার ছুরি দিয়ে মহিলাটিকে আঘাত করে।

গত বছরের জুলাইয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে হত্যা করা সত্ত্বেও জাপানে বন্দুক সহিংসতা অত্যন্ত বিরল। আবে জাপানের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তার মৃত্যু দেশটিকে গভীরভাবে মর্মাহত হয়। তারপরও জাপানে হ্যান্ডগান নিষিদ্ধের দাবি উঠেনি এবং রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা তেমন একটা শোনা যায় না। ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ৩৩ হাজার ৫৯৯টি ঘটনার তুলনায় জাপানে বন্দুক হামলায় মৃত্যুর ঘটনা মাত্র ছয়টি।

এনবিএস/ওডে/সি

news