ডুবোযান টাইটান ধ্বংসের কারণ কি?

রোববার (১৮ জুন) ওশানগেটের সাবমারসিবল ডুবোযান টাইটান পাঁচ আরোহী নিয়ে কানাডা উপকূলীয় আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে যায়। এর ঠিক পৌনে দুই ঘণ্টার মাথায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

পরে অনেক খোঁজ করেও মিলেছে তার ধ্বংসাবশেষ। তবে কেন এবং কীভাবে সাবমেরিন টাইটান ধ্বংস হয় তা নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই।
 
সে সব কথার উত্তর মিলেছে। মার্কিন কোস্ট গার্ড বলছে- সমুদ্রের তলদেশে ডুবোযানটি পানির অস্বাভাবিক চাপ নিতে পারেনি। এ কারণেই ভয়ঙ্কর অন্তর্মুখী বিস্ফোরণের কারণে মিলিসেকেন্ডের মধ্যেই ডুবোযানটি টুকরো টুকরো হয়ে যায়।
 বিষয়টির সত্যতা মিলে মার্কিন নৌবাহিনীর বক্তব্য থেকেও। বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, টাইটান যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরপরই বিস্ফোরণের মতো শব্দ শনাক্ত করা হয়েছিল। এমনকি সে খবর তারা যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ডকে দ্রুত জানিয়েও দিয়েছিলেন। কিন্তু শব্দ শনাক্ত হওয়ার এ তথ্য আগে কেন প্রকাশ্যে বলা হয়নি, তা স্পষ্ট নয়।
 এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টাইটানের যাত্রীদের মরদেহ উদ্ধারের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তারপরও শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে মার্কিন কোস্ট গার্ড।
 এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন কোস্টগার্ডের রিয়ার অ্যাডমিরাল জন মাগার বলেন, মরদেহের সন্ধান অব্যাহত থাকবে। তবে এটি একটি ‘অবিশ্বাস্যভাবে জটিল পরিবেশ’ সমুদ্রের তলায়, ভূপৃষ্ঠের দুই মাইল নিচে। এমন পরিবেশে মরদেহগুলোর সন্ধান করা অনেক চ্যালেঞ্জিং এবং না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
 
তিনি বলেন, ‘আমরা কাজ চালিয়ে যাব। কিন্তু তাদের মরদেহ বা কোনোকিছু পাওয়া যাবে কি না, এমন সম্ভাবনার কোনো উত্তর নেই।’সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

 এনবিএস/ওডে/সি

news