মণিপুরবাসীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বিরোধী দল, দাবি মোদির
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন, মণিপুর প্রসঙ্গে কথা না বলে পার্লামেন্টে কেবল কংগ্রেসকে আক্রমণ এবং ঠাট্টাতামাশা করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে পার্লামেন্টে ভাষণের সময় মণিপুরের ঘটনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কেন মিতব্যয়ী, তা নিয়ে বিস্তর সমালোচনা করছেন বিরোধীরা।
শনিবার ‘ক্ষেত্রীয় পঞ্চায়েতিরাজ পরিষদ’-এর পূর্বাঞ্চলীয় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনি। সেখানে মণিপুর ইস্যু নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ওঁরা পার্লামেন্ট থেকে পালিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল, এঁরা মণিপুরবাসীর সঙ্গে এত বড় বিশ্বাসঘাতকতা করলেন।’
তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতাকে চিঠি লিখে মণিপুর ইস্যু নিয়ে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এত সংবেদনশীল ঘটনা নিয়ে সমস্ত দলমত নির্বিশেষে আলোচনা হলে অনেক আগেই সমস্যার সমাধান হয়ে যেত। তা হলে মণিপুরের মানুষের ক্ষততেও মলম লাগত। কিন্তু ওঁরা আলোচনা চায় না। পরিবর্তে মণিপুর ইস্যু নিয়ে রাজনীতি শুরু করলেন। অনাস্থা প্রস্তাব আনলেন। এখন একের পর এক দোষ দিচ্ছেন। মাথামুন্ডুহীন অভিযোগ করছেন।’
পার্লামেন্টের বাইরে মোদি দাবি করেন, মণিপুর সহিংসতা এত বড় হয়ে ওঠার নেপথ্যে বিরোধীদের ‘ভূমিকা’ নিয়ে তোপ দাগলেন প্রধানমন্ত্রী। অভিযোগ করেন মণিপুরবাসীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।
লোকসভাতে নিজের আড়াই ঘণ্টার জবাবি ভাষণে উত্তর-পূর্বের রাজ্যের সহিংসতার জন্য কংগ্রেসকেই কাঠগড়ায় তুলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তার অভিযোগ, এত দিন সেখানকার মানুষের স্বপ্নকে গলা টিপে মারা হয়েছে। কারণ, কংগ্রেস মনেই করত না যে মণিপুর, মিজোরামের মতো রাজ্যগুলো ভারতের ভূখণ্ডে রয়েছে। ওই প্রসঙ্গে ষাটের দশকে মিজোরামে ভারতীয় বিমান বাহিনীর বোমাবর্ষণের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। সংসদে প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, মণিপুরে শান্তি ফেরাতে তার সরকার বদ্ধপরিকর।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি