এবারই প্রথম স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা বিনিময় করেনি ভারত-পাকিস্তান
দেশদুটির স্বাধীনতা দিবসে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানোর রীতিটাও চলে আসছে সেই ১৯৪৮ সাল থেকেই। তবে এবার সেই শুভেচ্ছা বিনিময়ের ধারায় এসেছে ছন্দপতন। ১৪ ও ১৫ আগস্ট কেউ কাওকে পাঠায়নি কোন শুভেচ্ছাবার্তা।
১৪ আগস্ট ছিল পাকিস্তানের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের শেষ কর্মদিবস। এদিন বিদায়ী সরকার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকে কোনো শুভেচ্ছা বার্তা পায়নি।
একই দিন আনোয়ারুল হক কাকার পাকিস্তানের অষ্টম তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনিও মোদির পথ অনুসরণ করে পরের দিন ভারতকে তাদের স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানাননি।
কাকারকে শুভেচ্ছা না জানানোর মধ্য দিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী দেশে নতুন সরকারপ্রধান ক্ষমতা গ্রহণের পর তাকে শুভেচ্ছা জানানোর প্রচলিত কূটনীতিক রীতি ভঙ্গ করেছেন।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব রীতিবিরুদ্ধ কূটনীতিক আচরণ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে তারা জিও নিউজকে নিশ্চিত করেছে, ২ দেশের স্বাধীনতা দিবসে কোনো বার্তা বিনিময় হয়নি।
ইসলামাবাদে অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশন মঙ্গলবার সকালে দেশটির স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের জন্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করলে সেখানে দাওয়াত পাননি কোনো পাকিস্তানি অতিথি। একই ভাবে, নয়া দিল্লিতে পাকিস্তানের হাই কমিশনেও একটি সীমিত আকারের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কিন্তু সেখানে ভারত সরকার কাশ্মীরী নেতাদের যোগ দিতে দেয়নি। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি