দ্বিধাবিভক্ত ব্রিকস, চীনের প্রভাব খর্ব করাই ভারতের লক্ষ্য

রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের মত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা ছিল ভার্চুয়ালি যোগ দেবেন। কিন্তু পরে দুটি কারণে প্রধানমন্ত্রী মোদি মত বদল করেন। প্রথমত, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট ফোনে বিশেষভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন সশরীরে জোহানেসবার্গে হাজির হতে। দ্বিতীয় কারণ, ব্রিক্সে চীনের দাদাগিরি খর্ব করা।
যে ২০টি দেশ ব্রিক্সের সদস্য হতে চেয়েছে তার মধ্যে সৌদি আরব সহ বেশ কিছু উপসাগরীয় দেশ আছে। বিগত কয়েক বছর যাবৎ চীন ওই দেশগুলির সঙ্গে সখ্য বাড়িয়েছে। বাংলাদেশও চায় ব্রিক্সের সদস্য হতে।

সদস্য পাঁচ রাষ্ট্র ছাড়াও যে ২০টি দেশ ব্রিক্সের সদস্য হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সেই দেশগুলির অনেক রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদি একান্তে বৈঠক করবেন। সেই তালিকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও আছেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদিও আরব দুনিয়ার সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। জোহানেসবার্গে উপস্থিত থেকে নতুন সদস্য নেওয়াতে ব্রিক্সের ভারসাম্য যাতে বিঘ্নিত না হয় তা নিশ্চিত করতে চাইছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। অর্থাৎ চীনপন্থী দেশের ব্রিক্সে প্রবেশ আটকানো তার লক্ষ্য।

বাংলাদেশকেও পাঁচ দেশের এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে নেওয়ার ব্যাপারে এখনও মনস্থির করেনি ভারত। ঢাকা সফরে গিয়ে বাংলাদেশকে ব্রিক্স ব্যাঙ্কের সদস্য হতে নরেন্দ্র মোদিই প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু ব্রিক্সের সদস্য হতে আমন্ত্রণ জানাননি। ভারত আসলে বুঝে নিতে চায়, বাংলাদেশ নয়া দিল্লি নাকি, বেইজিং ব্রিক্সের সদস্য হয়ে কোন দেশের স্বার্থে কাজ করবে।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads