মরক্কোয় ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ২,৪৯৭

এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ২৪নিউজ। শুক্রবার রাতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয়েছে মরক্কোর এক বিশাল জনপদ। ভুমিকম্পের পরপরই মরক্কোর উদ্ধারকর্মীরা বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার কাজ শুরু করে। তাদের সঙ্গে সোমবার যুক্ত হয়েছে আরো চার দেশের উদ্ধার কর্মীরা। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পেন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাজ্য। উদ্ধারকর্মীদের দলে রয়েছে ৫৬ জন সেনা সদস্য এবং চারটি কুকুর। তারা জীবিতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। 

সিএনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা বলেছে তিন লাখ। 

মরক্কোকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ফ্রান্স সহ আরো বেশ কয়েকটি দেশ সহায়তা প্রদানের অফার দিলেও রোববার দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা আন্তর্জাতিক সহায়তা কেবল চারটি দেশ থেকে গ্রহণ করছেন। সেগুলো হলো স্পেন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাজ্য। 

মরক্কোর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘মরক্কো সরকার অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে তাদের প্রয়োজনের হিসাব-নিকাশ করছেন। কারণ সমন্বয়ের অভাবে যে কোনো বিপর্যয় ঘটতে পারে।’  

ভূমিকম্প এবং আফটারশকে বিপর্যস্ত মরক্কোবাসী যখন শোকে মুহ্যমান ঠিক তখন রোবাবার বিদেশী কিছু অনুসন্ধানী ও উদ্ধারকর্মী দল মরক্কোতে পৌঁছান। কিন্তু সরকারের সহায়তার আনুষ্ঠানিক অনুরোধের অপেক্ষায় থেকে তারা হতাশ হয়ে পড়েন। রেসকিউয়ারস উইদাউট বর্ডারসের প্রতিষ্ঠাতা আরনাউড ফ্রেস বলেছেন, ‘আমরা জানি যে ভবনের নিচে চাপা পড়া মানুষগুলোকে বাঁচাতে এবং ভবনগুলোর অবশিষ্টাংশের নীচে খনন করাটা খুবই জরুরি।’ তিনি বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ মারা যাচ্ছে এবং আমরা তাদের বাঁচাতে কিছুই করতে পারছি না।

অন্যদিকে মারাকেশ শহরের রাস্তায় চতুর্থ দিনের মতো রাত অতিবাহিত করেছেন মরক্কোবাসী।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

এনবিএস/ওডে/সি
 

Walton Ads