মালয়েশিয়ায় পা রাখতেই আবারও ভাইরাল হলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাতে স্থানীয় শিল্পীরা যখন ঐতিহ্যবাহী নাচে মেতে উঠেছিলেন, হঠাৎ তাদের সঙ্গে নাচে যোগ দেন ট্রাম্পও!
তার বিখ্যাত ‘ফিস্ট-পাম্পিং ড্যান্স’—অর্থাৎ মুষ্টি উঁচিয়ে নাচার ভঙ্গি—মুহূর্তেই ক্যামেরাবন্দি হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিমানবন্দরের সেই আনন্দঘন মুহূর্তে উপস্থিত অতিথি ও সংবাদকর্মীরাও বিস্ময়ে তাকিয়ে ছিলেন।
ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই অনলাইন প্ল্যাটফর্মজুড়ে শুরু হয় আলোচনা। কেউ বলছেন, “এটাই ট্রাম্পের স্বভাবসিদ্ধ এনার্জি!”, আবার কেউ মজার ছলে লিখেছেন, “বিশ্বনেতারা এমন আনন্দে নাচলে হয়তো যুদ্ধও কমে যেত।”
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকেও ঘটনাটি গোপন রাখা হয়নি। ট্রাম্পের বিশেষ সহকারী মার্গো মার্টিন নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে ট্রাম্পের নাচের ভিডিও শেয়ার করেন, যা মুহূর্তেই মিলিয়ন ভিউ ছুঁয়ে ফেলে।
রোববার, ২৬ অক্টোবর মালয়েশিয়ায় পা রেখে ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছেন তার এশিয়া সফর। কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।
সফরের প্রথম কর্মসূচিতে রয়েছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ। দুই দেশের মধ্যে গত জুলাইয়ে সীমান্ত সংঘর্ষের পর এই চুক্তিকে বলা হচ্ছে “দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ঐতিহাসিক শান্তিপদক্ষেপ”।
নিজের সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প লিখেছেন, “কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে গ্রেট পিস ডিল আমি মধ্যস্থতা করেছি। এর স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নিতে মালয়েশিয়ায় এসেছি।”
ট্রাম্পের এই সফর ও বিমানবন্দরের নাচ—দুটিই এখন একসঙ্গে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়ও উঠে এসেছে তার এই অপ্রত্যাশিত ‘নাচের কূটনীতি’।