ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন তুলে নেওয়া আর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রোগ্রামে কড়া সীমাবদ্ধতা। কিন্তু তেহরান তো সোজাসাপটা এই তিন শর্তকেই প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে!
এদিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সঙ্গে পাঁচ দিনের যৌথ সন্ত্রাসবিরোধী মহড়া শুরু করেছে। এই মহড়ার মূল টার্গেট? সীমান্ত অতিক্রমকারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সদস্য দেশগুলোর দ্রুত অ্যাকশন, তথ্য শেয়ার আর যৌথ শক্তি বাড়ানো।
আইআরজিসির এক মুখপাত্র সতর্ক করে বলেছেন, যদি ইসরায়েল আবার আক্রমণ শুরু করে, তাহলে তারা “আরও কঠোর জবাব” দেবে।
এমনই উত্তেজনার মধ্যে সৌদি যুবরাজের হাত দিয়ে ট্রাম্পের তিন শর্ত এলো। ইরানের এক পার্লামেন্ট সদস্য নিশ্চিত করে বলেছেন, আমেরিকার দাবিগুলো তিন দিক থেকেই খুব কড়া, আর তেহরান মানতে একদম রাজি নয়। এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা আরও জটিল হয়ে উঠছে বলছেন বিশ্লেষকরা।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগিকে বলেছেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের আস্থা ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব এখন ওয়াশিংটনের। তিনি আমেরিকাকে “সততার ভিত্তিতে” আলোচনায় ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে জাতিসংঘে ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি মার্কিন নীতিকে “বিশ্ব শান্তির সবচেয়ে বড় হুমকি” বলে আখ্যা দিয়েছেন। অন্যদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান তুরস্ক সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য আর সহযোগিতা আরও মজবুত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
