ভারতের কেরালায় একটা ভাইরাল ভিডিওর কারণে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলে তার পরিবার অভিযোগ তুলেছে। এই ঘটনার পর ভিডিও পোস্ট করা শিমজিথা মুস্তাফা নামে এক নারীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
ঘটনাটা ঘটেছে গত শুক্রবার। শিমজিথা মুস্তাফা অভিযোগ করেছিলেন যে বাসে যাত্রার সময় দীপক ইউ নামে ওই যুবক তাকে অবাঞ্ছিতভাবে স্পর্শ করেছেন। তিনি মোবাইলে ভিডিও তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দেন।

ভিডিওটা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়—প্রায় ২০ লাখ মানুষ দেখেছে। দীপককে ভিডিওতে দোষী সাজিয়ে ট্রোলিং শুরু হয়। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। পরের দিন, ১৮ জানুয়ারি—তার জন্মদিনের আগের দিন—কন্নুড় জেলায় বাসে বাড়ি ফেরার পথে দীপক আত্মহত্যা করেন।
দীপকের বন্ধু আসগার আলি বলেন, “দীপক খুবই ভদ্র ছিলেন। কোনো নারীকে আঘাত করার কোনো উদ্দেশ্য তার ছিল না। বাসে ভিড় ছিল, তাই হয়তো ঠিকমতো দেখতে পাননি কী হচ্ছে।”

পরে শিমজিথা মুস্তাফা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বলেন, ভিডিওটা তিনি ভিউ বাড়ানোর জন্য নয়, বরং “গুরুতর মানসিক ও শীলতার বিষয়” তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। তিনি লিখেছেন, “বিনা অনুমতিতে কারও শরীর স্পর্শ করার অধিকার কি কারও আছে?”
কেরালা পুলিশ এখন পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং শিমজিথাকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব, ট্রোলিংয়ের ক্ষতি আর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে নতুন করে বড় বিতর্ক তৈরি করেছে।

 

Walton Ads