নাটকীয়ভাবে বাংলাদেশের বিকল্প হিসেবে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে স্কটল্যান্ড। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর খুব বেশি দিন বাকি নেই। হুট করে ভারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করতে হচ্ছে, তার ওপর স্কোয়াডের এক সদস্যের ভিসা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।
পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত পেসার সাফিয়ান শরীফের ভিসা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি। যদিও ধারণা করা হচ্ছে নির্ধারিত সময়ের আগেই সমস্যা মিটে যাবে।
সম্প্রতি কয়েক বছরে, পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক তিক্ত হওয়ায়, পাকিস্তানে জন্ম নেওয়া বা পাকিস্তানি বংশের পেশাদাররা ভারতে ভিসা পাওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন।
সাফিয়ান শরীফ ইংল্যান্ডের হাডার্সফিল্ডে জন্মগ্রহণ করেছেন, তার বাবা পাকিস্তানি এবং মা ব্রিটিশ-পাকিস্তানি। ৭ বছর বয়সে তিনি স্কটল্যান্ডে চলে যান। ডানহাতি পেসার হিসেবে তিনি স্কটল্যান্ডের হয়ে ৯০টি ওয়ানডে এবং ৭৫টি টি-টোয়েন্টি খেলে ১৯৮ উইকেট নিয়েছেন।
ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের সিইও ট্রুডি লিন্ডব্লেড বলেন, “আমরা সবাই আইসিসির সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে এটি সম্ভব হয়। ভিসার বিষয়টি সবসময় কিছুটা অনিশ্চিত থাকে, এবং তিন দিন থাকুক বা ৪৫ দিন থাকুক—তার কোনো বড় পার্থক্য নেই।”
তিনি আরও যোগ করেন, “গত ৪৮ ঘণ্টায় আমাদের ফোকাস ছিল শুধু এই যে, আমাদের খেলোয়াড়দের ভিসা দ্রুত সম্পন্ন করা। তারা সবাই এখন ভিসা জমা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় আছে, এবং আমরা যত দ্রুত সম্ভব ভারতে পৌঁছাবো।”
“তারা আমাদের জন্য যে নিশ্চয়তা দিতে পারছে, আমরা তা সম্পূর্ণভাবে পাচ্ছি। একটি টিম অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করছে শুধু আমাদের সাহায্য করার জন্য নয়, বরং অন্য ১৯টি দলের জন্যও যারা বিশ্বকাপে যাচ্ছে। কিন্তু এই মুহূর্তে আমরা তাদের প্রধান ফোকাস।”
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পেসার আলি খান দাবি করেছিলেন যে তিনি, শায়ান জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ মোহসিন এবং এহসান আদিল, যারা সবাই পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত, ভারতে যাওয়ার জন্য ভিসা পাননি। পরে অবশ্য জানা যায় ভিসা বাতিল নয় বরং দেরি হয়েছিল।
বিশ্বকাপ শুরু হতে মাত্র ১০ দিন বাকি, ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাঠে গড়াবে আসর। স্কটল্যান্ডের ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে না পারলে তাদের অংশগ্রহণ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।