দুই সপ্তাহ থেকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ অন্ধকারে
দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে রাশিয়া ইউক্রেনের বিদ্যুৎ স্থাপনায় একের পর এক হামলা চালিয়ে আসছে। এতে দেশটির অন্তত ৩০ ভাগ বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়ার হামলার কারণে ইউক্রেনের ৪ মিলিয়ন মানুষ বিদ্যুৎহীন। এই ঘটনা নজিরবিহীন।
রাশিয়া দেশটিতে যুদ্ধের জন্য নতুনভাবে তিন লাখ রিজার্ভ সেনা মোতায়েন করার ঘোষণা দেওয়ার পর জেলেনস্কি এ কথা বলেছেন। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র আরো ইউক্রেনকে আরো সামরিক সহায়তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। এর ফলে রাশিয়া দেশটির বেসামরিক অবকাঠামোর উপর হামলা জোরদার করেছে।
জেলেনস্কির শুক্রবারের ভাষণে রাশিয়ার হামলায় গোটা জাতিই ভোগান্তিতে পড়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘৪ মিলিয়ন ইউক্রেনীয় এখন বিধিনিষেধের মধ্যে পড়েছে। আমরা চেষ্টা করছি যাতে অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠা যায়।’
এদিকে দেশটিতে শীতকাল শুরু হতে যাচ্ছে। এ অবস্থায় কর্তৃপক্ষ জনগণকে যতটুকু সম্ভব বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে কয়েক ঘণ্টা করে কিয়েভসহ কয়েকটি অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে।
বিদ্যুৎ কোম্পানি ডিটেক ফেসবুকে জানিয়েছে, কিয়েভসহ ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলে সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট (অন্ধকার) ঠেকানোর লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ কোম্পানি ইউক্রেনারগো নজিরবিহীন বিদ্যুৎ নিষেধাজ্ঞা চালু করতে যাচ্ছে। ডিটেক বলেছে, কর্তৃপক্ষ সামনের দিনগুলোতে আরও ভয়াবহ ও দীর্ঘসময়ের ব্ল্যাকআউট কার্যকর করবে। কিয়েভের আঞ্চলিক গভর্নর ওলেকসি কুলেবারের উদ্ধৃতি দিয়ে ডেটেক বলছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ অনির্দিষ্টকালের জন্যও বন্ধ করা হতে পারে।