মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসী হুমকির মূল উৎস এখনো আফগানিস্তান: জাতিসংঘ প্রতিবেদন
আইএসআইএল-কে, আল-কায়েদা এবং তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান এখানে অত্যন্ত স্বাধীনভাবে চলাফেরা করছে। আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালিবানরা এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছে না। এ কথা বলা হয়েছে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এ্যানালাইটিক্যাল সাপোর্ট এ্যান্ড স্যাঙ্কশানস মনিটরিং টীমের (আইএসআইএল, আল-কায়েদা) ৩১তম এ প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে মঙ্গলবার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসী হুমকির জন্য প্রাথমিক উৎস এখনো আফগানিস্তান।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ইসলামিক স্টেট অব ইরাক এ্যান্ড দি লেভান্ত- খোরাসান (আইএসআইএল-কে, আল-কায়েদা, তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান ছাড়াও ইটিআইএম/টিআইপি (ইস্টার্ন তুকিস্তান ইসলামিক ম্যুভমেন্ট/তুর্কিস্তান ইসলামিক পার্টি), ইসলামিক ম্যুভমেন্ট অব উজবেকিস্তান, ইসলামিক জিহাদ গ্রুপ, খতিবা ইমাম আল-বুখারি, খতিবা আল-তাওহিদ ওয়াল-জিহাদ, জামাত আনসারুল্লা এবং অন্যদের ভেতর থেকে সন্ত্রাস উৎসারিত। তারা আফগানিস্তানের মাটিতে স্বাধীনভাবেই চলাফেরা করে। এটা হচ্ছে তালিবানদের নিরাপত্তা কৌশলের অকার্যকারিতার কারণেই।’
আইএসআইএল-কে নিজেদেরকে কার্যত ক্ষমতাসীন তালিবান প্রশাসনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দাবি করে। তাদের লক্ষ্য আফগানিস্তান ও ঐতিহাসিক খোরাসান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘তারা মূলত তালিবান যে, দেশের মানুষকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ তা দেখাতে চায়। তারা কূটনৈতিক মিশনকে টার্গেট করছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রেও বাধা হয়ে কাজ করছে।’
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর কাবুলে রুশ দূতাবাসে হামলা তাফলবানদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর আফগানিস্তানে কূটনৈতিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে প্রথম হামলা ছিল। ডিসেম্বরে, আইএসআইএল-কে পাকিস্তান দূতাবাস এবং চীনা নাগরিকদের থাকার হোটেলে হামলার দাবি করে।
এনবিএস/ওডে/সি