ভূমিকম্পে বেঁচে গেলেও শেষ রক্ষা হলো না!
তুরস্কের কনিয়া অঞ্চলের একটি বাড়িতে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছে ৫ সিরীয় শিশু ও তাদের মা-বাবা। ভয়াবহ ভূমিকম্পে বেঁচে গিয়েছিল পরিবারের সাত জন সদস্য। এরপর তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর নুরদাগি থেকে কনিয়া অঞ্চলে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল তারা। গত শুক্রবার সে বাড়িতেই অগ্নিকান্ড ঘটে।
এই অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ শিশুর বয়স ৪ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে। স্থানীয় বাসিন্দা মুহসীন চাকির বলেন, আমরা দেখলাম আগুন জ্বলছে, কিন্তু কিছু করতে পারিনি। জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভূমিকম্পে তুরস্কের ১১টি অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব অঞ্চলে ১৭ লাখ ৪০ হাজারের বেশি শরণার্থীর বসবাস। ভূমিকম্পের পর প্রায় ৫ হাজার পরাঘাত অনুভূত হয়েছে।
তুরস্কজুড়ে প্রায় ৪০ লাখ মানুষের বসবাস। তুরস্ক ও সিরিয়ার মধ্যকার বাব আল হাওয়া সীমান্তের সিরীয় অংশে নিযুক্ত আছেন মাজেন আলুচ নামের এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত তুরস্কে ভূমিকম্পে নিহত ১ হাজার ৫২৮ জন সিরীয় নাগরিকের মরদেহ দেশে ফেরত এসেছে। ভূকম্পনপীড়িত তুরস্কের ১০টি অঞ্চলে ৩ মাসের জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। দুই দেশে উদ্ধারকাজ এখনো চলছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এনবিএস/ওডে/সি