স্বল্পপাল্লার ২ ব্যালেস্টি ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা চালালো উ. কোরিয়া
উত্তর কোরিয়ার আজ সোমবারের এ ক্ষেপনাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর কথা জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে উত্তর কোরিয়ার একের পর অস্ত্রপরীক্ষার সর্বশেষে স্বল্প পাল্লা এ ২ ব্যালেস্টিক ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা চালালো পিয়ংইয়ং। আ
দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ৫ বছরের মধ্যে সর্ববৃহৎ সামরিক মহড়া চালাচ্ছে। ১০ দিন ব্যাপী এ মহড়ায় উভচর যানের অবতরণ মহড়া চালানোর মধ্যে উত্তর কোরিয়া এ ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা চালালো। উত্তর কোরিয়া সিউল-ওয়াংশিটন যৌথ মহড়ার নিন্দা করেছে। তারা একে হামলা চালানোর মহড়া বলে অভিহিত করেছে। পিয়ংইয়ং এর বিরুদ্ধে ‘অপ্রতিরোধ্য’ পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করার ব্যাপারে বার বার হুঁশিয়ার করে দিয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চীফস অব স্টাফ বলেছেন, ‘আমাদের সামরিক বাহিনী নর্থ হউংহায়ে প্রদেশের জুংহয়ার কাছে দু’টি স্বল্প পাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপের বিষয় সনাক্ত করেছে।’ তিনি বলেন, ‘ আমাদের সামরিক বাহিনী আরো পরীক্ষা চালানো হয় কিনা সে ব্যাপারে তাদের পর্যবেক্ষেণ ও সতর্কতা জোরদার করেছে এবং সিউল-ওয়াশিংটন ঘনিষ্ট সহযোগিতার মাধ্যমে পূর্ণ প্রস্তত অবস্থায় রয়েছে।’
জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও এ ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা বলেন, এক অনির্ধারিত পথে নিক্ষিপ্ত ক্ষেপনাস্ত্র দু’টি উড়ে এসে জাপানের পানি সীমার বাইরে জাপান সাগরে পড়ে। বিশ্লেষকরা বলছেন যে, যৌথ সামরিক মহড়াকে উত্তর কোরিয়া আরো ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা এমনকি পরমানু পরীক্ষা চালানোর সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম শুক্রবার জানায় যে, তাদের নেতা কিম জং-উন ব্যক্তিগতভাবে ডুবো পারমানবিক ড্রোন পরীক্ষার তদারকি করেন। শত্রুদেরকে সত্যিকার পরমানু সংকট সম্পর্কে সতর্ক করতে ওই পরীক্ষা চালায় দেশটি। ওই অস্ত্রের লক্ষ হলো গোপনে অভিযানের পানি সীমায় প্রবেশ করে তেজস্ত্রিয় পদার্থে সুনামি সৃষ্টি করা এবং শত্রু জাহাজ ও বন্দর ধ্বংস করা হয়। গত বুধবার পিয়ংইয়ং কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপনাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। তাতে পারমানবিক ওয়ারহেড়ের অনুরূপ ওয়ারহেড ব্যবহার করা হয়।
এনবিএস/ওডে/সি