টেনেসির স্টেটহাউস থেকে ২ ডেমোক্র্যাট সদস্যকে বহিস্কার

বন্দুক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেতৃত্ব দেয়ার কারণে দু’জন যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাট স্টেটহাউস সদস্যকে বহিস্কার করা হয়েছে। গত সপ্তাহে তাদের এ বিক্ষোভে স্টেটহাউসের অধিবেশন বিঘ্নিত হয়।

রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদ ৭২-২৫ ভোটে জাস্টিন জোন্সকে এবং ৬৯-২৬ ভোটে জাস্টিন পিয়ার্সনকে বহিস্কার করে। তবে ভোটের মাধ্যমে তৃতীয় ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা গ্লোরিয়া জনসনের বহিস্কার চেষ্টা সফল হয়নি।

গত ২৭ মার্চ নাশভিলের সরকারী স্কুলে হামলায় তিন শিশুসহ ৬জন নিহত হওয়ার পর শত শত লোক অঙ্গরাজ্যের রাজধানীতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। টেনাসির আধুনিক ইতিহাসের এই প্রথম উভয় দলের সমর্থন ছাড়া দু’জন আইন প্রণেতার বাহিস্কার করা হলো।

মিস জনসনকে বহিস্কার করার চেষ্টা ৬৫-৩০ ভোটে ব্যর্থ হয়। বহিস্কারের জন্য দরকার ছিল দু’তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন।

বিক্ষোভের সময় মি. পিয়ার্সন ও মিস জন্সের একত্রে মি. জন্স দু’হাত উঁচু করে স্টেটহাউস চত্বরে প্রবেশ করেন। ভোটের পর তিনি তার বহিস্কারকে ‘ গণতন্ত্রের প্রহসন’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এ পদক্ষেপ  আইনের লংঘন এবং ২০ লাখেরও বেশি টেনেসিয়ানের কন্ঠস্বরকে স্তব্ধ ও পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার একটি চেষ্টা। আমাদের পক্ষ থেকে যাদের তিন জন প্রতিনিধিত্ব করেন।’

গত বৃহস্পতিবার জন্স ও তার দু’সহকর্মী স্টেটহাউস চত্বরে প্রবেশ করে শ্লোগান দেন ‘কোন ব্যবস্থা নেয়া না হলে কোন শান্তি আসবে না।’ এতে প্রায় এক ঘন্টা ধরে অধিবেশন বন্ধ থাকে।

তিন জন আইন প্রণেতা স্বীকার করেন যে, তারা সংসদের আইন ভঙ্গ করেছেন তবে বলেছেন যে, এ কাজ বহিস্কারযোগ্য নয়। তবে রিপাবলিকানরা বলেছেন, এ তিন ব্যক্তি সংসদে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও অবমর্যাদা করেছেন।

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads