গত বছর ২৬ কোটি মানুষের খাদ্যসহায়তা লেগেছে, বলছে জাতিসংঘ প্রতিবেদন

সংঘাত, অর্থনৈতিক দুরবস্থা ও জলবায়ু বিপর্যয় মোকাবেলা করতে যেয়ে গত বছর প্রায় ২৫ কোটি ৮০ লাখ মানুষের জরুরি খাদ্যসহায়তার প্রয়োজন পড়ে। বুধবার প্রকাশিত জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। আগের বছর এই সংখ্যা ছিল ১৯ কোটি ৩০ লাখ।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, শত কোটি মানুষের এক-চতুর্থাংশের বেশি এখন তীব্র ক্ষুধার সম্মুখীন আর কেউ কেউ অনাহারের দ্বারপ্রান্তে। এটি বিবেকবর্জিত এক পরিস্থিতি।

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, এটি ক্ষুধা দূর এবং সবার জন্য খাদ্যনিরাপত্তা ও উন্নত পুষ্টি নিশ্চিতের ক্ষেত্রে অগ্রগতি অর্জনে মানবসভ্যতার ব্যর্থতার এক পীড়াদায়ক অভিযোগ। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়, জরুরি ভিত্তিতে খাদ্যসহায়তার প্রয়োজন এমন ৪০ শতাংশের বেশি মানুষের বসবাস ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, ইথিওপিয়া, আফগানিস্তান, নাইজেরিয়া ও ইয়েমেনে।

গুতেরেস বলেন, সংঘাত ও ব্যাপক বাস্তুচ্যুতি অব্যাহতভাবে বিশ্বব্যাপী ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে। তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য, গেঁড়ে বসা বৈষম্য, ব্যাপক অনুন্নয়ন, জলবায়ু সংকট এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগও খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার জন্য দায়ী।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালে ৫৮টি দেশ ও ভূখণ্ডের ২৫ কোটি ৮০ লাখ মানুষ মারাত্মক খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হয়েছে। আগের বছর ৫৩টি দেশে ১৯ কোটি ৩০ লাখ মানুষ এ ধরনের খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছিল। টানা চার বছর ধরে এ সংখ্যা বাড়ছে।

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads