৫ দিন লড়াইয়ের পর ফিলিস্তিন-ইসরায়েল অস্ত্রবিরতি

ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ আন্দোলনের একজন নেতা জানিয়েছেন যে, ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের একটি অস্ত্রবিরতি চুক্তি হয়েছে। ৫ দিন ধরে লড়াই চলার পর মিসরের মধ্যস্থতায় এ চুক্তি হয়। গত শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা থেকে এ অস্ত্রবিরতি কার্যকর হয়েছে।

মিসরের আল-কাহেরা ওয়াল নাস টেলিভিশন চ্যানেল জানায়, উভয় পক্ষই অস্ত্রবিরতির সমঝোতার শর্ত মেনে চলতে সম্মত হয়েছে। গত কয়েক দিনের ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ৩৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্য অন্তত ১৩ বেসামরিক নাগরিক। অন্যদিকে ফিলিস্তিনি রকেট নিক্ষেপে ইসরায়েলে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা প্রাণ হারান এবং গাজা থেকে কাজের জন্য ইসরায়েলে যাওয়া একজন ফিলিস্তিনি নিহত হন।

আল-কাহেরা টেলিভিশন চ্যানেল জানায়, ‘দুই পক্ষই অস্ত্রবিরতি মেনে চলবে। বেসরকারি নাগরিকদের হামলার লক্ষ্যবস্তু না বানানো, বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং এক অপরকে ভূখণ্ড লক্ষ্য করে চালানো হামলা অস্ত্রবিরতি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হবে।’

অস্ত্রবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী হামাসের মুখপাত্র দাউদ শেহাব বলেন, ‘মিসরের অস্ত্রবিরতির ঘোষণা আমরা মেনে নিয়েছি এবং দখলদার ইসরায়েল যতক্ষণ পর্যন্ত অস্ত্রবিরতির শর্ত মেনে চলবে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরাও তা মেনে চলব।’

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকেও অস্ত্রবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে দেশটির সামরিক কর্মকর্তা উইলেম মার্কস জানান, অস্ত্রবিরতির ‘পরিস্থিতি মূল্যায়ন’ করা হবে।

সর্বশেষ এ সংঘাতের শুরু গত মঙ্গলবার। ওই দিনের ইসরায়েলের বিমান হামলায় ১২ জন নিহত হন। ফিলিস্তিনের ইসলামিক জিহাদ আন্দোলনের বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে মূলত হামলা চালায় ইসরায়েল।

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads