পাকিস্তানে পুলিশের গুলিতে ছাত্রী নিহত, আহত ৭
পুলিশ বলেছে, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াত জেলায় একটি বেসরকারি স্কুলের গেটে পুলিশ সদস্যের গুলিতে নয় বছর বয়সী এক ছাত্রী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন শিক্ষক ও ছাত্রীসহ আরও সাতজন।
স্কুলটি খাইবার পাখতুনখোয়ার মাঙ্গালোর পুলিশ স্টেশনের ভিতরে। আহতদের সাইধু শরীফ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা বলেছেন, আহত শিক্ষার্থীরা বিপদমুক্ত।
হামলাকারী পুলিশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া পুলিশ সদস্য স্বীকার করেছে, সে ভুল করে একটি পুলিশ ভ্যানের উপর গুলি চালিয়েছিল।
পুলিশ সূত্রে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা মানসিকভাবে বিপন্ন।
ইন্ডিয়া টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, খাইবার পাখতুনখোয়ার পুলিশের ইনস্পেক্টর জেনারেল আক্তার হায়াত খান বলেছেন ঘটনাটি আমলে নিয়ে সতর্কতা ইস্যু করা হয়েছে। আঞ্চলিক মালাকান্দ ডিভিশনের পুলিশ কর্মকর্তা নাসির মেহমুদ সাত্তি, ঘান্দাপুর জেলা পুলিশ কর্মকর্তা সোয়াত শাফিউল্লা খান এবং ডেপুটি কমিশনার সোয়াত ইরফানউল্লাহ ওয়াজির হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান।
সোয়াত পুলিশের একজন মুখপাত্র বলেছেন, তদন্ত দল অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তিনি বলেছেন, এ ব্যাপারে ন্যায়বিচারের জন্য সবকিছু করা হবে।
পাকিস্তানের এই সোয়াত উপত্যকাতেই ২০১২ সালে তৎকালীন স্কুল শিক্ষার্থী মালালা ইউসুফজাই জঙ্গি হামলায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন। স্কুল বাসে এক বন্দুকধারী ছোড়া গুলিতে তিনি মারাত্মক আহত হন। কয়েকদিন অজ্ঞান থাকার পর চিকিৎসকদের নিবিড় প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন। পরে পাকিস্তানের এই শিক্ষা আন্দোলনকর্মী সবচেয়ে কম বয়সে শান্তিতে নোবেল পান।
এনবিএস/ওডে/সি