অভিষেক-পত্নীকে জেরা করতে দিল্লি থেকে এসেছেন ইডির দুই কর্তা

সোমবার বিমানবন্দরে অভিষেক ব্যানার্জির স্ত্রী রুজিরাকে নোটিশ ধরিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কয়লা পাচার মামলায় বৃহস্পতিবার হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সিজিও কমপ্লেক্সে।

সকাল ১১টায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের ঘন্টাখানেক পর, সাড়ে ১২টায় সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অন্যদিকে সময়ের আগেই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় ইডি দপ্তর। দপ্তরের বাইরে মোতায়েন রয়েছেন বিধাননগর থানার পুলিশ। ইডির দপ্তরের ভেতরেও প্রস্তুতি তুঙ্গে সকাল ১১টার কিছু আগে থেকেই।

সূত্রের খবর, রুজিরাকে জেরা করতে দিল্লি থেকে ইডির আধিকারিকেরা সিজিও কমপ্লেক্সে এসেছেন। দিল্লি থেকে আসা একজন আধিকারিক হলেন পঙ্কজ কুমার। তার সঙ্গে এসেছেন সহকারী ডিরেক্টর পদের এক কর্তাও।। প্রস্তুত করা হয়েছে লম্বা প্রশ্নমালা।

সোমবার কলকাতা বিমানবন্দরে রুজিরাকে আটকায় অভিবাসন দপ্তর। বেশ কয়েকঘন্টা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করার পর ফিরে যান রুজিরা। বিমানবন্দরেই রুজিরাকে নোটিশ ধরায় ইডি। কয়লা পাচার মামলায় বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আজ হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সিজিও কমপ্লেক্সে।

সমগ্র ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন খোদ তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোটা ঘটনাটিকে এক কথায় ‘অমানবিক’ বলেছিলেন।

রুজিরাকে বিমানবন্দরে আটক করার প্রসঙ্গে শীর্ষ আদালতের নির্দেশের কথা উল্লেখ করে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি দেওয়া ছিল, যদি ও কখনও বাইরে যায়, ইডিকে জানবে। ইডিকে জানিয়েছে অনেকদিন আগেই। ইডি তখন বলতে পারত তুমি যেও না। কিন্তু এয়ারপোর্টে গিয়ে নোটিশ ধরানো হাতে, ৮ তারিখে এসো। অমানবিক জিনিস চলছে।’সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

 এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads