হন্ডুরাসে নারী কারাগারে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ৪১

হন্ডুরাসের রাজধানীর কাছের অবস্থিত এই কারাগারের ভেতর মঙ্গলবার (২০ জুন)  দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সহিংসতা ঘটে। একটি গ্রুপ সেলের ভেতর আগুন ধরিয়ে দেয়।

কারা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতদের অধিকাংশ আগুনে পুড়ে মারা গেছে। এ ছাড়া কয়েকজন ছুরিকাঘাত ও গুলিবিদ্ধ হয়েও প্রাণ হারায়।

কারা কর্মচারিরা জানান, আহত অন্তত ৭ জনকে তেগুসিগালপা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হন্ডুরাসের প্রেসিডেন্ট জিওমারা ক্যাস্ট্রো এ সহিংসতার জন্য অপরাধী গ্রুপগুলোকে দায়ী করেছেন। দেশটির কারা ব্যবস্থায় এসব গ্রুপের ব্যাপক ক্ষমতা রয়েছে।

হন্ডুরাসের উপনিরাপত্তা মন্ত্রী, জুলিসা ভিলানুভা কারাগারটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। যারা এ সহিংসতার সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের আওতায় আনবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। আহতদের উদ্ধার ও সহিংসতা রোধ করতে তাৎক্ষণিকভাবে দমকলকর্মী, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ অনুমোদন করেন জুলিসা ভিলানুভা টেলিভিশন ভাষণে বলেছেন, ‘মানুষের প্রাণহানি আর সহ্য করা হবে না।’

এদিকে যারা নিহত হয়েছেন তারা সবাই কয়েদি কিনা সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। রাজধানী তেগুসিগালপা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই কারাগারটির ধারণ ক্ষমতা ৯০০। এ ঘটনায় আহত কয়েকজন বন্দিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

কারাগারে আটক বন্দিদের পরিবারের প্রতিনিধিত্বকারী ডেলমা ওরডোনেজ জানিয়েছেন, সহিংসতায় কারাগারটির একটি অংশ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নারী কারাগারটির ভেতর থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলি বের হচ্ছে।

মধ্য আমেরিকার দেশ হন্ডুরাস গ্যাং ও দুর্নীতির জন্য পরিচিত। কয়েকদিন আগে দেশটির সরকারি দপ্তরগুলোতে শুদ্ধি অভিযান চালানো হয়। এরপর হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা বেড়ে যায়। ২০১৯ সালে হন্ডুরাসের বন্দর নগরী তেলাতে কারাগারে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

 এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads