বারবার কোরআন অবমাননার ঘটনায় ডেনমার্ককে সতর্ক করলো আরবের চার দেশ
চার দেশগুলো হলো, জর্ডান, ওমান, ইরান এবং সৌদি আরব। মুসলমানদের পবিত্র গ্রন্থের অসম্মান রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে তারা। গত ২১ জুলাই ডানস্কে প্যাট্রিওটার (ডেনিশ প্যাট্রিয়টস) নামে একটি উগ্রবাদী দল কোপেনহেগেনে ইরাকের দূতাবাসের সামনে কোরআনের একটি কপি পুড়িয়ে দেয়। এরপর গতকাল শনিবার ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে চরমপন্থী একটি সংগঠনের হাতে পবিত্র কোরআনের অবমাননার তীব্র নিন্দা করেছে। একে ‘ইসলামোফোবিয়ার বহিঃপ্রকাশ’বলে অভিহিত করেছে দেশটি।
বার বার এ ঘটনায় রোববার বিবৃতি দেয় দেশগুলোর পররাষ্ট্র মণন্ত্রনালয়, তারা বলেন এ ঘটনা যা মুসলিমদের উসকে দেবে। এসব কাজ ঘৃণা ছড়ায়, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানকে কঠিন করে তোলে। ধর্মে পবিত্র বলে বিবেচিত প্রতীক ও মূল্যবোধকে অপবিত্র করাকে অপরাধমূলক আইনের অধীনে আনতে হবে। পাশাপাশি শান্তির সংস্কৃতির প্রচার এবং চরমপন্থা ও ধর্মান্ধতা প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ধর্ম ও বিশ্বাসের অবমাননা, শত্রুতা ও ঘৃণাকে উসকানি দেয়- এমন কাজকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়য়ের অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। ইউরোপে বই পোড়ানো বিষয়টি অন্ধকার যুগের কথা মনে করিয়ে দেয়। এই ধরনের জঘন্য কাজে চুপ করে থাকলে সহিংসতা এবং সন্ত্রাসবাদ বেড়ে যাবে। মুসলমানদের পবিত্র গ্রন্থের অসম্মান রোধে ডেনিশ সরকারের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ধর্মের মধ্যে সহিংসতা ও ঘৃণা উসকে দেয় এমন যে কোনও পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানায় রিয়াদ। এ ধরনের কাজ মুসলমানদের আবেগে আঘাত করে।
ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোককে রাসমুসেন এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, কিছু ‘মূর্খ’ব্যক্তির কাজ এটা। অন্যের ধর্মকে অবমাননা করা একটি অপমানজনক কাজ। উসকানি ছড়ানো এবং বিভেদ সৃষ্টি করা ছাড়া এসবের অন্য কোনও উদ্দেশ্য নেই। যদিও তিনি উল্লেখ করেছেন, ডেনমার্কে ধর্মীয় বই পোড়ানো অপরাধ নয়। কদিন আগে পুলিশেরে অনুমতি নিয়ে সুইডেনে একই ধরনের কাজ করেন এক ইরাকি অভিবাসী। এ ঘটনা ফুঁসে উঠেছে মুসলিম বিশ্ব। বিভিন্ন দেশ সুইডিশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে। ইরাক তো দূতকে বহিস্কারই করে দিয়েছে। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি