মণিপুর পুলিশকে সুপ্রিম কোর্টের তিরস্কার, ডিজিকে তলব

সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ হাজার এফআইআর দায়ের হয়েছে। কেন মাত্র কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে? সূত্র: জিনিউজ

তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে মণিপুর পুলিশকে তিরস্কার করে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শুক্রবার ডিজিকে সশরীরে আদালতে উপস্থিত হতে বলেছে প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ।

স্বতঃপ্রণোদিত উদ্যোগ নেওয়ার আর্জি জানিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেন মণিপুরের দুই নির্যাতিতা। মণিপুরে দুই মহিলাকে নগ্ন করে ঘোরানোর যে ভিডিও ভাইরাল হয়, সেই মামলা এবার অন্য রাজ্যে স্থানান্তরিত করার জন্য কেন্দ্রের আবেদনে মঙ্গলবারই শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টে। নির্যাতনের বিরুদ্ধে এবার সরাসরি কেন্দ্র এবং রাজ্য, দুইয়ের বিজেপি শাসকের বিরুদ্ধেই সুপ্রিম কোর্টে নালিশ জানান ২ নির্যাতিতা মহিলা।

কুকি সম্প্রদায়ের ওই দুই মহিলার ওপর ঘৃণ্য অত্যাচার চালিয়েছেন মেইতেই সম্প্রদায়ের পুরুষরা। সুপ্রিম কোর্টের কাছে এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের আবেদন করেন ২ জন। ইতোমধ্যেই এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মণিপুর ভাইরাল ভিডিওকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

স্রেফ বিবস্ত্র করে হাঁটানো নয়, রাজধানী ইম্ফল থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে কাংপোকপি জেলায় দুই আদিবাসী মহিলাকে দলবদ্ধ ধর্ষণেরও অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। মণিপুর ইস্যুতে উত্তাল গোটা দেশ।

পূর্ব ইম্ফলে ২১ জুলাই একটি এফআইআর হয়েছে। সেখানে এক ১৮ বছরের তরুণী অভিযোগ করেছেন, তাকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেছে কালো পোশাক পরিহিত অস্ত্রধারী ৪ যুবক। কিন্তু তার পরের কথাগুলো আরও মারাত্মক। ওই তরুণী পুলিশকে জানিয়েছেন, তাকে অপহরণ করে মহিলাদের একটি দল। তারপর তাকে তুলে দেওয়া হয় অস্ত্রধারী ওই ৪ যুবকের হাতে। এর পাশাপাশি ঘরে ঢুকে ২ বোনকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর খুনের অভিযোগ সামনে এসেছে ইম্ফলে। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

এনবিএস/ওডে/সি

 

Walton Ads