ভারতের লোকসভায় মণিপুর নিয়ে আলোচনা ৮ ও ৯ আগস্ট

 আলোচনার এই দিন নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। উল্লিখিত দুই দিনই পার্লামেন্টে মণিপুর ইস্যুতে আলোচনা করা হবে।

এই ইস্যুতে বিরোধীরা বার বার মুলতুবি প্রস্তাব আনলেও তা খারিজ হয়ে যায়। ২৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করে কৌশলে অনাস্থা প্রস্তাব আনে বিরোধীরা। ৪ আগস্টের মধ্যে স্পিকারের জানানোর কথা কবে সেই অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করা হবে।

বিরোধীরা জানিয়েছেন, মণিপুর নিয়ে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী হবেন শেষ বক্তা। জবাবি ভাষণ রাখবেন তিনি। তবে মণিপুর নিয়ে তার ভাবনা সম্পর্কে বিবৃতি দাবি করা হয় বিরোধী পক্ষ থেকে। ৯ আগস্ট তার জবাবি ভাষণ রাখলেও বিরোধীরা এতে খুশি নয়।

রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বেরিয়ে কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে জানিয়েছেন, পার্লামেন্ট অধিবেশন শেষ হবে ১১ আগস্ট। অধিবেশনের শেষ পর্যায়ে এই আলোচনা করার অর্থ খুব দায়সারাভাবে একটি জবাব দিয়ে পার্লামেন্ট বন্ধ করে দেওয়া, যাতে পার্লামেন্টে বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি নিয়ে আর প্রতিবাদ করতে না পারেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মণিপুর ইস্যু নিয়ে আলোচনার জন্য আরো বেশি সময় দেওয়া হোক। সরকার এবং বিরোধীদের মধ্যে কয়েক দফা ফ্লোর বৈঠকের পর এ দাবি করা হয়। শুধু লোকসভা নয় রাজ্যসভাতেও আলোচনার দাবি রয়েছে বিরোধীদের।

এর আগে সরকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল মণিপুর পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পার্লামেন্টে বক্তব্য প্রদান করবেন। মণিপুর ইস্যু মণিপুর অতিক্রম করে দিল্লি পার্লামেন্টে পৌঁছায় কুকি সম্প্রদায়ের দু’জন নারীর ভিডিও প্রচারিত হওয়ার পর। এ সময়েই কেন্দ্রীয় সরকার ব্যাপক চাপের মুখে পড়ে।  

কংগ্রেস পার্লামেন্ট সদস্য অধীর রঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছেন, এমন সময়ে এই আলোচনা করা হচ্ছে যখন আলোচনা করার কোনও মানেই নেই। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা 
 
এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads