মিয়ানমার সেনাবাহিনী ৩০ মাসে ১৪৪টি গণহত্যা চালিয়েছে, দাবি ঐক্য সরকারের

এসব গণহত্যায় হত্যা করা হয়েছে এক হাজার ৫৯৫ জনকে। এ তথ্য জানিয়েছে জাতীয় ঐক্য সরকারের মানবাধিকার মন্ত্রণালয়।

সোমবার মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সেনা অভ্যুত্থানের পর গণঅভ্যুত্থান থামাতে এই গণহত্যা চালানো হয়। গণহত্যার প্রচুর সাক্ষ্য-প্রমাণেই তা নিহিত রয়েছে।

মন্ত্রণালয় বলেছে, ২০২১ সালে ১১টি, ২০২২ সালে ৮৫টি এবং চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ৪৮টি গণহত্যা চালানো হয়েছে।

প্রতিরোধ যোদ্ধাদের শক্তঘাঁটি সাগায়িং অঞ্চলে সর্বাধিক নিহতের ঘটনা ঘটেছে। গত আড়াই বছরে সেখানে ৯০টি গণহত্যা চালানো হয়েছে এবং তাতে নিহত হয়েছে ৯২০ জন বেসামরিক।

 সবচেয়ে বড় গণহত্যার ঘটনাটি ঘটেছে এ বছর। গত ১১ এপ্রিল কান্তবালু টাউনশিপের পাজিগি গ্রামে বিমান হামলা চালানো হয়। এতে ১৫৭ জন নিহত হয় এবং তার মধ্যে রয়েছে ৪২ শিশু। উক্ত গ্রামে একটি অনুষ্ঠান উদযাপনের জন্য ২০০ লোক সমবেত হয়েছিল। এ সময় একটি জেট ফাইটার সেখানে হামলা চালায়। হামলায় নিহতদের মৃতদেহ সংগ্রহ কালে আবারও একটি এমআই-৩৫ হেলিকপ্টার বন্দুকের গুলির পাশাপাশি এলাকাটি স্প্রে করে।

ডিপেয়িং রিফিউজি সাপোর্ট গ্রুপের একজন প্রতিনিধি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘সেনাবাহিনী গ্রাম পুড়িয়ে ও গণহত্যা চালিয়ে জনগণের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। কারণ জনগণ তাদের শাসন প্রত্যাখান করেছে।’ তিনি বলেছেন, ‘তাদের আচরণ কাপুরুষোচিত।’

ডিপেয়িং টাউনশিপের সবচেয়ে বেশি বাড়িঘর পোড়ানো হয়েছে। এখানে ছয় হাজার ২৪টি বাড়ি পোড়ানো হয়। গণহত্যার এটাই হলো সবচেয়ে বড় ঘটনা।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা  
 
এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads