জুলাইয়ে বেশি তাপমাত্রাই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: গবেষণা
বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবে বাড়ছে তাপমাত্রা। বিশ্বের ৮১ শতাংশ মানুষ কমপক্ষে একদিন বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব প্রত্যক্ষ করেছেন এবং ঘেমেছেন জুলাই মাসে। জুলাই মাসে পৃথিবীর পাঁচ জন ব্যক্তির মধ্যে চার জনের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে। এই বাড়তি উষ্ণায়নই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বলে মনে করছেন জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা।
সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব মেইনের একটি গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই তথ্য। তবে এই তথ্যের প্রেক্ষিতে আরও অনুসন্ধানের প্রয়োজন রয়েছে। ‘ক্লাইমেট সেন্টাল’-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা সর্বত্র জলবায়ু পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করছি।’
কিভাবে করা হয়েছে এই গবেষণা?
এক্ষেত্রে গবেষকরা চার হাজার ৭১১ টি শহরে গিয়েছে এবং জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছে। এর মধ্যে চার হাজার ১৯টি শহরে তাঁরা যান জুলাই মাসে। আর গবেষকদের কথায়, কয়লা, প্রাকৃতির গ্যাস পোড়ানোর জেরে কমপক্ষে একদিন তাপমাত্রার বৃদ্ধি প্রত্যক্ষ করেছে এই শহরগুলি।
সবথেকে বেশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ করেছে ফ্লোরিডা। সেখানে ২৪৪ মিলিয়ন মানুষ স্বাভাবিকের থেকে বেশি তাপমাত্রা প্রত্যক্ষ করেছেন জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে। জুলাই মাসের সবথেকে উষ্ণতম দিন ছিল কোনটি?
জুলাই মাসে সবথেকে বেশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রত্যক্ষ করেছে ১০ তারিখ। এদিন প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন মানুষ অতিরিক্ত তাপমাত্রা অনুভব করে। এখনও পর্যন্ত বিশ্বের উষ্ণতম দিন ছিল ৭ জুলাই।
বিভিন্ন গ্রিন হাউস গ্যাসের ব্যবহারের জেরে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ২ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন গবেষকদের একাংশ। এতদিন পর্যন্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আলাদা করে ‘হিট ওয়েভ’ প্রত্যক্ষ করেননি। কিন্তু, ধীরে ধীরে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সেই তাপমাত্রা বৃদ্ধিও প্রত্যক্ষ করছেন সাধারণ মানুষ, যা আগামীদিনে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বিভিন্ন গ্রিন হাউস গ্যাসের ব্যবহারের জেরে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ২ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন গবেষকদের একাংশ। এতদিন পর্যন্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আলাদা করে 'হিট ওয়েভ' প্রত্যক্ষ করেননি। কিন্তু, ধীরে ধীরে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সেই তাপমাত্রা বৃদ্ধিও প্রত্যক্ষ করছেন সাধারণ মানুষ, যা আগামীদিনে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তবে এই গবেষণার প্রেক্ষিতে আরও তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন। সদ্য এই গবেষণাটি শেষ হয়েছে। যদিও দুটি এজেন্সি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছে এই গবেষণার নির্দিষ্ট ভিত্তি রয়েছে। প্রসঙ্গত, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে জলবায়ু পরিবর্তন গবেষকদের একাংশের মাথা ব্যথার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্রিন হাউস গ্যাসের নির্গমন কমাতে না পারলে এই পৃথিবী কোনওভাবেই মানুষের বাসযোগ্য থাকবে না, আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের একাংশের।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি