পাকিস্তানে তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী বাছাই নিয়ে আলোচনার মধ্যেই নির্বাচন পেছানোর খবর
দেশটির জিও নিউজ চ্যানেলের এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ জানান, যদি পার্লামেন্টের আসনের সীমানা নতুন করে সাজাতে হয় তাহলে আগামী বছর ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে অথবা মার্চের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন হতে পারে। রানা সানাউল্লাহ আরও জানিয়েছেন, কাউন্সিল অব কমন ইন্টারেস্টস (সিসিআই) নতুন আদমশুমারি অনুমোদন করার পর এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে। এতে নির্বাচনী আসনের সীমানা নতুন করে সাজাতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।
পাকিস্তানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন তা নিয়ে ক্ষমতাসীন সরকারের মিত্রদের মধ্যে আলোচনার মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ বলেছেন, এ পদের জন্যে সাবেক অর্থমন্ত্রী হাফিজ শেখ এবং একজন সাবেক বিচারপতির নাম প্রাধান্য পাচ্ছে। এ পদের জন্য সিন্ধুর গভর্নর কামরান টেসোরির নাম প্রস্তাব করেছে এমকিউএমপি। অন্যদিকে একটি বা দুটি নাম দেয়ার কথা রয়েছে জোটের অন্যতম শরিক পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি)। মঙ্গলবার এসব নামের ভিতর থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একজনকে বাছাই করা হবে।
আগামীকাল ৯ আগস্ট পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্র শাহবাজ শরীফ। এর ফলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হতে হবে। সেই হিসাবে এ বছর অক্টোবর বা নভেম্বরে নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু ডিজিটাল শুমারি সম্পন্ন করার পর নির্বাচন করার বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে সিসিআইয়ের শনিবারের মিটিংয়ে। ফলে সেই শুমারির ওপর নির্বাচন করতে বাধ্য পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন।
ওই মিটিংয়ের পর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের শুমারি অনুমোদন করেছেন চারজন মুখ্যমন্ত্রী এবং সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। সিসিআইয়ের ওই সিদ্ধান্তের বিষয়ে সানাউল্লাহ বলেন, আমার মতে পার্লামেন্টের আসন সীমানা পুনর্বিন্যাস করা একটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। কারণ, সংবিধানের অধীনে একটি শুমারির ওপর দুটি সাধারণ নির্বাচন হতে পারে না।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি