আমরা আর দেশব্যাপী যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ নই, জানালো মিয়ানমারের কেএনইউ

 ১০ আগস্ট এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানালো কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন (কেএনইউ)। তারা বলেন, মিয়ানমার সামরিক বাহিনী যেভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে, তাতে ন্যাশনানওয়াইড সিজফায়ার এগ্রিমেন্ট (এনসিএ) মেনে চলার কোনো কারণ নেই। 

কেএনইউ’র মহাসচিব পাদোহ সো তা দোহ ম্যু এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি প্রতিষ্ঠানটির মহাসচিব হয়েছেন মাত্র ১০০ দিন আগে। তবে এই গ্রুপটি মিয়ানমারের সবচেয়ে পুরনো জনজাতি সশস্ত্র বাহিনী। 

তারা সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছে, দেশটিতে ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সেনা অভ্যুত্থানের পর সহিংসতা, নির্যাতন এবং যুদ্ধাপরাধের মাধ্যমে এনসিএ’র শর্ত লংঘন করেছে সেনাবাহিনী। তখন থেকেই তারা সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। তবে কেএনইউ আগেও এনসিএ থেকে সরে যাওয়ার কথা বলেছে। সর্বশেষ বলেছিল ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। কেএনইউ আলোচ্য চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেছিল ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে। 

ইরাবতির অপর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিরোধ যোদ্ধা পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের (পিডিএফ) সঙ্গে সংঘর্ষে তিনদিনে সেনাবাহিনীর ৫৫ সদস্য নিহত হয়েছে। এসব সংঘর্ষে তিনজন প্রতিরোধ যোদ্ধাও নিহত হয়েছে। এছাড়া এথনিক আর্মড অর্গেনাইজেশনের (ইএও) সশস্ত্র গ্রুপগুলো দেশব্যাপী হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে। 

কারেন রাজ্যে দুইজন সরকারি সেনা দলত্যাগ করে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। কারেন ছাড়াও সংঘর্ষের ঘটনাগুলো ঘটেছে বাগো, সাগায়িং, মান্দালয় এবং মাগওয়ে অঞ্চলে। পিডিএফ ও ইএও’র মাধ্যমে এসব তথ্য পেয়েছে গণমাধ্যম। 

গণমাধ্যমের খবরে নিহতের সংখ্যা উল্লেখ করা হলেও আহত কতজন হয়েছে তা বলা হয়নি।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা  

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads