ব্রিকসে বাংলাদেশের সদস্য পদ নিয়ে ভারতের অবস্থান সুস্পষ্ট নয়
এর আগে ব্রিকস ব্যাংকে যুক্ত হতে ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের পূর্ণসদস্য দেশ।
ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেছেন, সদস্য পদ বৃদ্ধির বিষয়ে ভারতের আপত্তি নেই। কিন্তু ব্রিকসে আরো দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার আগে এই গোষ্ঠীকে আরো মজবুত অবস্থানে নিয়ে যেতে হবে।
সৌদি আরব, আরব আমিরাত, বাংলাদেশসহ ২৩ টি দেশ ব্রিকসের সদস্য হতে আবেদন করেছে। এই আবেদনের মাধ্যমে এবারের ব্রিকসের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে এসব দেশের অন্তর্ভুক্তিকরণ।
২২ আগস্ট থেকে ৩দিন ব্যাপি দক্ষিণ আফ্রিকার জোহান্সবার্গে হবে ব্রিকসের ১৫ তম সম্মেলন। সম্মলনে অভিন্ন মূদ্রা, ব্রিকসের কার্যালয়, নতুন সদস্য বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হবে।
জোহান্সবার্গের এই সম্মেলনের অতিথিদের আনা নেওয়ার গাড়ি থেকে শুরু করে বেশ কিছু বিষয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে চীন। ইতিমধ্যেই চীনের চেরী ব্যান্ডের ৮০টি গাড়ি পৌঁছে গেছে আফ্রিকায়।
চীনের এই আগ্রহ নিয়ে কূটনীতিকরা মনে করছেন, জি ৭এর বিকল্প হিসাবে চীন হয়তো আরো একটি বৈশ্বিক জোট বানাতে চাচ্ছে ব্রিকসকে।
এক্ষেত্রে ব্রিকসে চীনের পক্ষেই রয়েছে ভারত ছাড়া বাকি ৩টি দেশ। রাশিয়া চীন জুটি তার উপরে আরব আমিরাত সৌদি ও বাংলাদেশের চাপ ভারত একা কতটা সামাল দিতে পারবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।
বাংলাদেশের কূটনীতিকদের একাংশের মতে শেখ হাসিনা এক্ষেত্রে রাশিয়াকে বেঁছে নিতে যাচ্ছেন। তাতে চীন নাখোশ হবে না। আবার ভারত খুব একটা কিছু করতে পারবে না।
অদ্ভুত টানাটানির মধ্যে একমাত্র দেশ হল রাশিয়া যারা স্ট্রাটেজিকভাবেই চাইবে বাংলাদেশ ব্রিকসে যুক্ত হোক। দেশটিকে একঘরে করার পশ্চিমা চেষ্টার বিপরীতে রাশিয়ার প্রমান করার লড়াই, তাদের এলাইড দেশ কম নেই।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি