ভারতে রাষ্ট্রপতির পর এবার বদলে গেল মোদির পদ, ‘প্রাইম মিনিস্টার অফ ভারত’

সরকারি নথিতে বদলে গেল তাঁদের পদের পরিচয়লিপি। তবে ‘তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে’ সরকারি ঘোষণাপত্রে নয়, শাসকদল বিজেপির দেওয়া ‘সরকারি তথ্যে’! সংবাদ সংস্থা পিটিআই তা প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার জি২০ শীর্ষবৈঠকে অংশ নেওয়া বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের কাছে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর নৈশভোজের আমন্ত্রণপত্র প্রকাশ্যে আসার পরেই জল্পনা শুরু হয়। রাষ্ট্রপতির ওই আমন্ত্রণপত্রে লেখা হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’। কিন্তু ভারতের রাষ্ট্রপতি কাউকে কোনও চিঠি লিখলে তাতে চিরাচরিত ভাবে লেখা থাকে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ইন্ডিয়া’ কথাটি।

বিজেপি নেতা মুখপাত্র মঙ্গলবার তাঁর এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার) প্রধানমন্ত্রী মোদির আসন্ন ইন্দোনেশিয়া সফরের ঘোষণা সংক্রান্ত একটি সরকারি নথি প্রকাশ করেছেন। সেখানে মোদির পদ লেখা হয়েছে, ‘প্রাইম মিনিস্টার অফ ভারত’। যদিও সরকারি প্রথা অনুযায়ী তাঁর পদটিকে ‘প্রাইম মিনিস্টার অফ ইন্ডিয়া’ লেখা হয়।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর বিরোধীদের কটাক্ষ করে পরামর্শ দিয়েছেন যে তাঁদের সংবিধান পড়ে দেখা উচিত।

এএনআইয়ের একটি সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শংকর বলেন, ‘ইন্ডিয়া’ মানেই ‘ভারত’। সেটা সংবিধানে উল্লেখ করা আছে। এমনই দাবি করলেন এস জয়শংকর। সেইসঙ্গে বিরোধীদের খোঁচা দিয়ে তাঁদের সংবিধান পড়ার জন্য ‘আহ্বান’ জানান তিনি।

আবার ‘ইন্ডিয়া’ নাম পালটে দেশের নাম ‘ভারত’ করার পরিকল্পনা চলছে বলে যে আলোচনা হচ্ছে, তা স্রেফ গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন মোদি সরকারের মন্ত্রী অনুরাগ সিং ঠাকুর। একটি সংবাদমাধ্যমে বিরোধীদের আক্রমণ করে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটা (নাম পরিবর্তনের বিষয়টি) স্রেফ গুজব।’ ‘ভারত’ নামের ‘বিরোধিতা’ করার জন্য বিরোধী নেতাদের সমালোচনা করেছেন মন্ত্রী অনুরাগ সিং।

লোকসভা ভোটের আগে দেশের নাম শুধুই ‘ভারত’ করতে চলেছে মোদি সরকার। এ সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল পাশের জন্যই আগামী ১৮-২২ ডিসেম্বর পার্লামেন্টের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে বলেও জল্পনা দানা বেঁধেছে।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

এনবিএস/ওডে/সি

 

Walton Ads