তাইওয়ানের কাছে আচমকা নিরুদ্দেশ চিনা ডুবোজাহাজ

তাইওয়ান প্রণালী পেরনোর সময় তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয় পিপলস লিবারেশন আর্মির। কোথায় গেল সেই ডুবোজাহাজ? বাড়ছে রহস্য। 

এই রহস্য আরও বাড়িয়েছে চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি শাংফুর অনুপস্থিতি। প্রতিরক্ষামন্ত্রক ডুবোজাহাজের নিখোঁজ হওয়া নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকে চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আর প্রকাশ্যে আসেননি। দু’সপ্তাহ তাঁকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।

আন্তর্জাতিক মহল বলছে, চীন বিষয়টি খোলসা না করা পর্যন্ত এই বিষয়ে কেউ কিছু জানতে পারবেন না। এটাই সে দেশের দস্তুর। আমেরিকা মনে করছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লির বিরুদ্ধে তদন্ত করছে শি জিনপিং সরকার। তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সে কারণে জনসমক্ষে আসেননি শি। এই ঘটনায় চীনের প্রশাসনের অন্তর্দ্বন্দ্বও প্রকাশ্যে।

একটি সূত্র আবার মনে করছে, ডুবোজাহাজের নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদচ্যুতির সম্পর্ক রয়েছে। ডুবোজাহাজ নিখোঁজ হয়েছে বলেই লির বিরুদ্ধে নাকি তদন্ত চলছে। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক প্রথম দিকে এই ডুবোজাহাজের নিখোঁজ হওয়া নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি। পরে তাইওয়ানের প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে তারা মন্তব্য করবে না।

তাইওয়ালের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান মেজর জেনারেল হুয়াং ওয়েংকি জানিয়েছেন, এই বিষয়টি একেবারেই ‘গোপন’। এর সঙ্গে সংবেদনশীলতা জড়িয়ে রয়েছে। সে কারণে তাইওয়ানের মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

সূত্রের খবর, ২১ অগস্ট থেকে ‘নিখোঁজ’ চীনের এই টাইপ ০৯৩ বা শাং ডুবোজাহাজ। এগুলি পরমাণু শক্তিধর। চিনের অন্দরের কিছু রিপোর্ট বলছে, এই ডুবোজাহাজে ছিলেন ১০০ জন সওয়ারি। প্রত্যেকেরই মৃত্যু হয়েছে।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads