হুতি যোদ্ধাদের ড্রোন ও ক্ষেপনাস্ত্র হামলা
গাজায় ইসরায়েলি নির্বাচার হামলা ও গণহত্যার ঘটনায় য্দ্ধু অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার আশংকার মধ্যে ইয়েমেনের সানা থেকে হুতি যোদ্ধারা ইসরায়েলে ড্রোন পাঠিয়েছে এবং ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
ইরান সমর্থিত ‘প্রতিরোধ অক্ষ’ এর শরিক হিসেবে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার পর থেকেই হামাসের প্রতি তাদের সমর্থনের কথা ঘোষণা করেছে। তারা এ হামলার মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামাসের যুদ্ধের নতুন ফ্রন্ট খুলেছে। হুতিরা এর আগে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের বিরুদ্ধে ৮ বছর যুদ্ধ করেছে।
হুতি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক টিভিতে প্রচারিত বিবৃতিতে বলেছেন, তারা ইসরায়েলের দিকে বিপুল সংখ্যক ব্যালেস্টিক মিসাইল ও ড্রোন পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিদের বিজয়ে সহায়তা করতে এ ধরণের আরও আক্রমন তারা চালাবেন।
এ হামলার ফলে গাজার হামলার ফলে যুদ্ধ আঞ্চলিক দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার আশংকা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব দেশের মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরবও রয়েছে।
সারি বলেছেন, এটি ছিল তাদের তৃতীয় আক্রমন। তিনি ২৮ অক্টোবর মিসরে বিস্ফোরণের ঘটনা এবং ১৯ অক্টোবর হামলা চালানোর কথা নিশ্চিত করেন। ওই দিন মার্কিন নৌবাহিনী ইসরায়েলের দিকে ছোড়া তিনটি ক্রুজ মিসাইল বাধাদান করেছিল বলে জানা যায়।
লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সঙ্গে ইসরায়েলের সংঘর্ষ ক্রমশ জোরদার হচ্ছে। উভয় পক্ষে গোলা বিনিময় ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটছে। এতে দুপক্ষেই বহু হতাহত হয়েছে।
ইসরায়েলের মূল মদদদাতা দেশ যুক্তরাষ্ট্র তেলআবিবের সমর্থনে এবং গাজার যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ইসরায়েলের কাছে দুইটি বিমানবাহি যুদ্ধজাহাজসহ অনেকগুলো যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। এ ছাড়া ইসরায়েলকে অবিরতভাবে অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে যাচ্ছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেন আমির আব্দুল্লাহিয়ান মঙ্গলবার আভাস দিয়েছেন যে, তেহরানের মিত্ররা আরও পদক্ষেপ নিতে পারে।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি