মিয়ানমারের উপর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডার নিষেধাজ্ঞা
শান রাজ্যে গত ২৭ অক্টোবর দেশটির সেনা বাহিনীর বিগ্রেড ১৪৩ বিদ্রোহীদের কাছে আত্মসমর্পণ করে। আত্মসমর্পণের সময় অভিযান যৌথভাবে পরিচালনা করে আরাকান আর্মি (এএ), তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) এবং মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ)।
দেশটির উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, জান্তা সেনাদের শেলিং ও বিমান হামলায় শান রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে ১১ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে। গত শুক্রবার ‘অপারেশন ১০২৭’ হওয়ার পর এটাই হলো রাজ্যটিতে সবচেয়ে বড় ঘটনা।
ইরাবতির অপর এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় তেল-গ্যাস প্রতিষ্ঠানের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়েরর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পদক্ষেপটি আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা প্রতিষ্ঠানটির বেশ কিছু আর্থিক পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাবে।
ব্রিটেন এবং কানাডার সঙ্গে সমন্বিতভাবে যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের তিনটি সংস্থা এবং পাঁচ জনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যারা মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন একটি পৃথক বিবৃতিতে বলেছেন, এই নিষেধাজ্ঞাগুলো নৃশংসতার পথ বন্ধ করবে এবং জবাবদিহিতা প্রচারের জন্য আমাদের প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করবে। আমরা গোটা দেশকে অস্ত্র, বিমানের জ্বালানি এবং সামরিক সরকারের রাজস্ব প্রবাহ বন্ধ করার জন্য বাস্তব পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করতে থাকি।
যুক্তরাজ্যও জান্তার সঙ্গে জড়িত পাঁচ ব্যক্তি এবং একটি প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় নিয়ে এসেছে। অপরদিকে কানাডা মিয়ানমারের সামরিক শাসনকে সমর্থন করার জন্য ৩৯ ব্যক্তি এবং ২২টি সংস্থার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি