ভারতের পার্লামেন্টকে উত্তর কোরিয়ার এসেব্লির রুপ দেয়ার চেষ্টা হচ্ছে: কংগ্রেস নেতা
ক্ষুব্ধ কংগ্রেস নেতা কীর্তি চিদাম্বরণ এই মন্তব্য করেছেন। কংগ্রেস প্রধান মল্লিকার্জুন খড়গে বলেছেন, বিরোধী দলগুলোর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্যেই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এই ঘটনাকে বিরোধী নেতৃত্ব বলেছেন ‘গণতন্ত্রের সাসপেনশন’।
পার্লামেন্ট ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শনের কারণে ভারতের ইতিহাসে নজীরবিহীন ১৪৩ বিরোধী এমপিকে সাময়িক বহিষ্কারের ঘটনাকে গণতন্ত্রের উপর আক্রমণ বলে অভিহিত করেছে বিরোধী দলগুলো। তারা ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির(বিজেপি) বিরুদ্ধে নৈরাজ্য সৃষ্টির অভিযোগ করেছেন। ১১টি বিরোধী দলের এই ১৪৩ জন এমপি রাজ্য ও লোকসভার সদস্য। ১৪৩ জন এমপির দুই-তৃতীয়াংশই নবগঠিত ইন্ডিয়া জোটের সদস্য।
আনন্দবাজার জানায়, ১৩ ডিসেম্বর দুই যুবক লোকসভা কক্ষে দর্শক গ্যালারি থেকে সভাকক্ষে ঝাঁপ দেন। তাঁদের হাতে ছিল হলুদ রংমশালের কৌটো। হলুদ ধোঁয়ায় ভরে যায় সভাকক্ষ। তারা স্লোগান দিচ্ছিলো, ‘একনায়কতন্ত্র¿ মানি না।’
বিরোধী এমপিরা এই ঘটনা নিয়ে পার্লামেন্টে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিবৃতির দাবিতে ওয়েলে নেমে স্লোগান তুলেন তারা। আর তার পর থেকে একের পর এক সাসপেন্ডের ঘটনা।
বুধবার ভারতের লোকসভায় সাময়িক বহিস্কৃত হন আরও দুই এমপি । প্রথম জন, আলাপুঝার সিপিএম এমপি এএম আরিফ। দ্বিতীয় জন, আঞ্চলিক দল কেরালা কংগ্রেস (মণি)-র নেতা তথা কোট্টয়মের এমপি টমাস চাজিকাদন। আনন্দবাজার আরও জানায়, এই নিয়ে গত এক সপ্তাহে লোকসভা এবং রাজ্যসভা থেকে ১৪৩ জন এমপিকে সাসপেন্ড করা হল। এর মধ্যে লোকসভার এমপি ৯৭ জন।
কংগ্রেস পার্লামেন্টারী দলের বৈঠকে সোনিয়া গান্ধী বিরোধীদের দাবি ন্যায়সংগত ও যুক্তিযুক্ত বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ১৩ ডিসেম্বরের ঘটনা অস্বাভাবিক। ওই ঘটনা প্রমাণ করে নিরাপত্তাব্যবস্থায় কী বিপুল গলদ রয়েছে। অথচ পার্লামেন্টে সরকার নীরব।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি