প্রশাসনিক গ্রেপ্তারির মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের ওপর প্রতিশোধ নিচ্ছে ইসরায়েল
গত ৭ অক্টোবরের পর যেসব ফিলিস্তিনিকে দখলদার দেশটির সেনারা গ্রেপ্তার করেছে তাদের শতকরা ৮০ ভাগের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই।
ফিলিস্তিনি বন্দি কমিশনের প্রধান কাদুরা ফারেস বলেছেন, ১৯৪৫ সালে বৃটিশ অছিভুক্ত থাকার সময় থেকেই প্রশাসনিক গ্রেপ্তারির এ কালাকানুন চালু রয়েছে ফিলিস্তিনে। এতে ফিলিস্তিনিদের বিনা অভিযোগে আটক করা ও রাখার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
৭ অক্টোবর গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর থেকেই অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ব্যাপকহারে প্রশাসনিক গ্রেপ্তারি শুরু হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনী এ পর্যন্তু ৪ হাজার ৬৭৫ জন ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে। ফিলিস্তিনি বন্দি সম্পর্কিত গ্রুপগুলোর সর্বশেষ তথ্যে একথা বলা হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রশাসনিক গ্রেপ্তার কয়েদখানায় অন্তত ২৮৭০ ফিলিস্তিনি আটক রয়েছেন। ৭ অক্টোবরের পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরও ২৩৪৫ জনকে যা গত ৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
প্রশাসনিক গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদেরকে বিনা অভিযোগে বা বিনাবিচারে যতদিন ইচ্ছে ইসরায়েল আটক রাখত পারে। আন্তর্জাতিক আইনে এমন গ্রেপ্তারি নিষিদ্ধ হলেও ইসরায়েল নারী-শিশুসহ সব ফিলিস্তিনির বিরুদ্ধে এ আইনটি প্রয়োগ করছে।
ক্যাপশন: পশ্চিম তীরের হেবরন থেকে ১০ বছরের ফিলিস্তিনি শিশুকে গ্রেপ্তার করে ইসরায়েলি সেনারা।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি