রেজিস্ট্রি বিয়েতে ‘ফেস রিকগনিশন বাধ্যতামূলক’, ভারতে চালু হচ্ছে বায়োমেট্রিক

এই শীতেই বিয়ে করতে হলে মানতে হবে কিছু নিয়ম। এখন থেকে আঙুলের ছাপ শুধু বৈধ নয়। বৈধ হবে ‘ফেস রিকগনিশন’, ‘রেটিনা রেকগনিশন’। বায়োমেট্রিকের নিয়ম মানতে হবে। রেজিস্ট্রি বিয়েতে গরমিল এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। 

সম্প্রতি বায়োমেট্রিক আঙুলের ছাপ না মেলায় কলকাতায় ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশনের কার্যালয়ে তলব করা হয় কয়েকজন আবেদনকারীকে। সূত্রের খবর, কারচুপি ধরা পড়ে গেলেও প্রথমে তারা কেউই সত্যিটা স্বীকার করতে চাননি। তখন ওই অফিসের কর্তারা আঙুলের ছাপের ফরেন্সিক পরীক্ষা করানোর প্রস্তাব দেন। মিথ্যা প্রমাণিত হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলা হয়। ইদানিংকালে রেজিস্ট্রি বিয়ের ক্ষেত্রে অনেক ভুয়ো তথ্য দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কারচুপি বন্ধ করতে তাই বায়োমেট্রিক তথ্য যাচাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রেজিস্ট্রি বিয়ের জন্য আবেদনের সময় হবু দম্পতির যে কোনও একজনের বায়োমেট্রিক লাগবে। তাছাড়া বিয়েতে যে তিনজন সাক্ষী থাকবেন তাদেরও বায়োমেট্রিক দিতে হবে। ম্যারেজ রেজিস্ট্রারের কাছে বায়োমেট্রিক নেওয়ার মেশিন থাকবে।

স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্টে বিয়ের রেজিস্ট্রি হলে সমস্ত তথ্য এবং নথি সমেত আবেদন করতে হয় ৩০ দিন আগে। আর হিন্দু ম্যারেজ অ্যাক্টে রেজিস্ট্রি হলে আবেদনের তারিখ থেকে সাত দিনের মতো সময় লাগে। দুই ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রারের বলে দেওয়া সময়ে গিয়ে বায়োমেট্রিক দিয়ে আসতে হবে।

এখন থেকে ম্যারেজ সার্টিফিকেট বা বিয়ের প্রশংসাপত্রে আঙুলের ছাপের কোনও ছবি থাকবে না। বায়োমেট্রিক সংক্রান্ত তথ্য যাতে ফাঁস না হয়ে যায় সেজন্য বিশেষ সংরক্ষণ ব্যবস্থা থাকবে। নির্দিষ্ট ম্যারেজ অফিসার ছাড়া অন্য কোনও ব্যক্তি যাতে ওই বায়োমেট্রিক মেশিন না ব্যবহার করতে পারে, সেই দিকটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়েছে। কোনও ম্যারেজ রেজিস্ট্রার এই নিয়ম না মানলে তাঁর ও আবেদনকারীদের বিরুদ্ধেও কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads