বিশ্বের দ্বাদশতম ধনী মহিলা প্রসাধনী সাম্রাজ্যের রানি
ফোর্বস সূত্রে খবর, সম্পত্তির নিরিখে সারা বিশ্বে ধনীদের তালিকায় দ্বাদশ স্থানে রয়েছেন ফ্রাঙ্কোইস। দশ হাজার কোটি ডলারের সম্পত্তি রয়েছে ফ্রাঙ্কোইসের।
আনন্দবাজার জানায়, বিশ্বের খ্যাতনামী প্রসাধনী সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ইউজিন পল লুই স্কালিয়র। ইউজিনের নাতনি ফ্রাঙ্কোইস। পারিবারিক সূত্রে ব্যবসা সামলানোর দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।
শৈশব থেকে বাইবেল ধর্মগ্রন্থ মেনে চলেন ফ্রাঙ্কোইস। বাইবেল নিয়ে চর্চাও করেছেন প্রচুর। তাই বাইবেল নিয়ে দু’টি বই লিখেছেন তিনি।
বাইবেলের পাশাপাশি গ্রিক দেবদেবী নিয়েও বই লিখেছেন ফ্রাঙ্কোইস। ব্যবসার কাজ নিয়ে যথেষ্ট ব্যস্ত থাকেন তিনি। তবুও কাজের ফাঁকে সময় বার করেন।
২০১৭ সালে মা মারা যান ফ্রাঙ্কোইসের। কানাঘুষো শোনা যায় যে, মায়ের সঙ্গে অম্লমধুর সম্পর্ক ছিল তাঁর। দুই মহিলার মধ্যে নাকি এক সময় এমন অশান্তি হয় যে, তাঁদের মধ্যে আইনি লড়াইও হয়েছিল।
মায়ের মৃত্যুর পর জোরকদমে ব্যবসার কাজে নেমে পড়েন ফ্রাঙ্কোইস। শোনা যায়, কোভিড অতিমারির সময় ব্যবসার পতন হতে শুরু করে তাঁদের।
সমীক্ষায় জানা যায়, অতিমারির সময় প্রসাধনী দ্রব্যের ব্যবহার কম হয়েছিল বলেই প্রসাধনী সংস্থার ব্যবসার পতন হয়।
পরে অবশ্য প্রসাধনী সংস্থার ব্যবসা সঠিক ছন্দে ফিরে যায় ফ্রাঙ্কোইসের। শেয়ার বাজারেও তাঁর সংস্থার বাজারমূল্য ১২ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পায়।
প্রসাধনী সংস্থা ছাড়াও অন্য একটি সংস্থার অধিকর্ত্রী ফ্রাঙ্কোইস। স্বামী-সহ পুত্রকন্যাকেও সংস্থার উচ্চ পদে দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন তিনি।
শোনা যায়, ইউজিনের সঙ্গে নাৎসিদের যোগাযোগ ছিল। তার প্রভাব নাকি ফ্রাঙ্কোইসের বিবাহিত সম্পর্কে পড়েছিল।
ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে সম্পত্তির নিরিখে বিশ্বের ধনী মহিলাদের মধ্যে শীর্ষ স্থানে নাম লিখিয়েছিলেন ফ্রাঙ্কোইস।
২০২২ সালের হিসাব অনুযায়ী, ফ্রাঙ্কোইসের সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৯৪ বিলিয়ন ডলার।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি