ইসরায়েলি গণহত্যার নথি জমা দিলো তুরস্ক
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিজে) ইসরায়েলি গণহত্যার নথি জমা দিয়েছে তুরস্ক। নথি জমা দিয়ে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েব এরদোগান আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে আইসিজেতে ন্যায়বিচার পাওয়া যাবে। জাতিসংঘের শীর্ষ আদালতে ইসরাইয়েলের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। গত বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) মামলার শুনানি শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক আদালতে ইসরায়েলি গণহত্যার নথি জমা দেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান। ফিলিস্তিনি বেসামরিকদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা মামলার স্বপক্ষে এ নথি জমা দেন তিনি।
শুনানিতে দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজীবীরা বলেন, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান একটি রাষ্ট্র-পরিচালিত গণহত্যার অভিযান। ইসরায়েলের এই অভিযানের লক্ষ্য ফিলিস্তিনি জনগণকে নিশ্চিহ্ন করা। তারা ইসরায়েলি হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য জাতিসংঘের আদালতকে আদেশ জারি করার দাবি জানান।
ইস্তাম্বুলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তুরস্ক গাজায় ইসরায়েলি হামলার বিষয়ে নথি ও প্রামাণিক ছবি, ভিডিও ফুটেজ সরবরাহ করতে থাকবে। এসময় তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আন্তর্জাতিক আদালতে ইসরায়েলকে দোষী সাব্যস্ত করা হবে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরাইল কাটজ অবশ্য দাবি করেছেন, ‘গণহত্যা চালানোর ভিত্তিহীন অভিযোগ’ দিয়ে ইসরায়েলকে টার্গেট করেছেন এরদোগান।
শুনানির দ্বিতীয় ও শেষদিন শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) পালটা বক্তব্য ও যুক্তি উপস্থাপন করে ইসরায়েল। দেশটি গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার অনুরোধ খারিজ করার জন্য বিচারকদের প্রতি আবেদন জানিয়েছে। ইসরায়েল আরও দাবি করেছে যে হামলা ও হত্যাকান্ড বন্ধ হলে গাজাবাসী নাকি ‘নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়বে’।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি