কলম্বিয়া থেকে শুরু ছাত্র বিক্ষোভ এখন ৭৫ বিশ্ববিদ্যালয়ে : নির্বাচনী ঝুকিতে কি বাইডেন ?
ইসরাইলকে বয়কটের দাবিতে বয়কটের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ছাত্র বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিয়েছে। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই সহিংস বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে কমপক্ষে ৭৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের অভিযান এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসরাইলপন্থীদের হামলার পর অসন্তোষের দাবানল দ্রæত ছড়িয়ে পড়েছে। (বিবিসি, সময় ১৩:০০)
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি- তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ইসরাইলের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ, অনুদান ও বৃত্তি প্রত্যাহার করে তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা হোক। (নিউইয়র্ক টাইমস, সময় ১২:৩০)
হার্ভার্ড, টেক্সাস, জর্জিয়া, সাউদার্ন, নর্থ ক্যারোলিনা, সাউদান ক্যালিফোর্নিয়া, নিউ ই্য়র্ক, ভার্জিনিয়া, নিউ মেক্সিকো, নিউ জার্সি, কানেকটিকাটসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর কমপক্ষে এক হাজার শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কমপক্ষে একশ’ বাংলাদেশী শিক্ষার্থীও যোগ দিয়েছেন বিক্ষোভে। বৃহস্পতিবার বোস্টনের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০৮ জন এবং কানেকটিকাটে ২০০ জনকে গ্রেফতার করা হলেও বিক্ষোভ দমানো যায়নি। (আল জাজিরা, সময় ১৩ :০০)
জ্ঞানের অধ্যাপক ওমর ওয়াশো বলেন, এই বিক্ষোভ নতুন প্রজন্মকে পুরনোদের চেয়ে আলাদা করে চিনিয়ে দিচ্ছে। এটা আসলে ইসরাইল সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদেও প্রজন্মগত চিন্তাধারার পার্থক্য। ((রয়টার্স, সময় ১২ :৪৫)
গাজায় এতো বর্বরতার পরও বাইডেন প্রশাসন ইসরাইলকে সমর্থন করে যাচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিভিন্ন মতামত জরিপে দেখা যায় বেশিরভাগ মার্কিন নাগরিক গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চান। (আরব নিউজ, সময় ১২ :৩০)
ঘটনাগুলো এমন সময়ে ঘটছে যখন আর মাস ছয়েক পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এই নির্বাচনে সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থী বাইডেনকে মুখোমুখি হতে হবে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এখন প্রশ্ন উঠেছে ফিলিস্তিন সমর্থনকারীদের ভোটগুলো কি ট্রাম্পের পক্ষে চলে যাবে? কিন্তু বিষয়টা অত সহজ নয় বলেই মনে হচ্ছে। কারণ ইসরাইলকে সমর্থন করার দিক থেকে
রিপাবলিকানরা ডেমোক্র্যাটদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। (এপি, সময় ১২: ৪৫)
ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর সমাজবিজ্ঞানী এমান আবেদ আল হাদির মতে ফিলিস্তিনীদের পক্ষের এই বিক্ষোভ দমন বাইডেনকে ‘ট্রাম্পের হাত থেকে জাতিকে রক্ষার জন্য তাকে প্রয়োজন’ এই সেন্টিমেন্ট থেকে বের করে আনছে। আর অধ্যাপক ওমর আল ওয়াশোর মতে, চলমান বিক্ষোভ বাইডেন প্রশাসন বিরোধী রাজনীতিতে যোগ করেছে নতুন মাত্রা।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি