মিসরের ইসরায়েলি সীমান্তে নির্মিত হচ্ছে ‘সিসি সিটি’

মিসরের সিনাই উপদ্বীপের সরকারপন্থী মিলিশিয়া নেতা ইব্রাহীম আল-ওরগানি এই নগরী নির্মানের পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেছেন। ব্যবসায়ী এই নেতা নিজেকে ট্রাইবাল ফেডারেশন নামে একটি গোত্রীয় জোটের প্রধান হিসেবে ঘোষণা করেছেন। প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাত্তাহ আল-সিসিকে এ জোটের অনারারি প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করা হয়েছে ।

গাজার য্দ্ধুবিক্ষত রাফাহ শহর থেকে পরিকল্পিত এ নতুন নগরীর দূরত্ব মাত্র ১৫ কিলোমিটার। সেখানকার আল-আরজা গ্রামের ওপর নির্মিত শহরটির নামকরণ সিসির নামে করা হয়েছে। মিসরের সামরিক শাসক ও প্রেসিডেন্ট সিসি বহু বছর যাবত উপকূলীয় উপত্যকা গাজার উপর অবরোধ বজায় রাখতে ইসরায়েলকে সহায়তা করেছেন। 

আল-ওরগানির কোম্পানি গাজা থেকে পালিয়ে আসা ফিলিস্তিনিদের এবং সেখানে ত্রাণের ট্রাক প্রবেশে ফি গাজা যুদ্ধ শুরুর পর অনেক বাড়িয়ে দিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। তার এ কর্মকান্ড নিয়ে তদন্ত চলছে। হালা নামের তার একটি কোম্পানি গত তিন মাসে ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের কাছ থেকে অন্তত ১১ কোটি ৮০ লাখ ডলার আয় করেছে।

আল-ওরগানি সান্স অব সিনাই নামের একটি নির্মান কোম্পানিরও মালিক। সরকার উপদ্বীপটির গৃহায়ন কাজ সরকার এই কোম্পানিকে দিয়ে বাস্তবায়ন করে। 

বুধবার সশস্ত্র মিলিশিয়াদের আয়োজিত এক চোখ ধাধানো অনুষ্ঠানে আল-ওরগানিকে অ্যারাব ট্রাইবাল ইউনিয়নের প্রধান ঘোষণা করা হয়। এ অনুষ্ঠানে অনেক সরকারী কর্মকর্তা ও এমপি অংশ নেন। মিসরের গোয়েন্দাবাহিনী পরিচালিত টিভি চ্যানেলে এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

অনুষ্ঠানে ঘোষণা করা হয়,  দেশের বিরুদ্ধে যে মিথ্যা ও গজব প্রচার করা হচ্ছে তা মোকাবিলা করতে এই ট্রাইবাল জোট গঠন করা হয়েছে। বেদুইন নেতারা সিসি সিটির পোস্টারের সামনে আল-ওরগানিকে অভ্যর্থনা জানান। মিসরের সেনাবাহিনী ২০১৫ সালে সরকারপন্থী মিলিশিয়া বাাহিনী গঠন করে।

রাফাহ থেকে বহিস্কৃত শিক্ষক মুরাদ বলেন, ‘যিনি আমাদেরকে আমাদের এলাকা থেকে বহিস্কারের নির্দেশ দিয়েছিলেন তার নামেই আমাদের সেই জায়গায় শহর হওয়া আমাদের জন্য অবমাননাকর।’সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads