ইন্দোনেশিয়াতে বন্যা, ভূমিধসে নিহত ৪১

পশ্চিম ইন্দোনেশিয়ায় মুষলধারে বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যা, ভূমিধস এবং আগ্নেয়গিরি থেকে ঠাণ্ডা লাভা প্রবাহের কারণে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। 
একজন স্থানীয় দুর্যোগ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, শনিবার রাতের এই ব্যাপক বন্যায় আরো ১৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া সুমাত্রা দ্বীপের আগ্নেয়গিরি মাউন্ট মারাপি থেকে ঠাণ্ডা লাভা নির্গত হওয়ার কারণেও অনেকে নিহত হয়েছেন। 

দেশের জাতীয় বিপর্যয় মোকাবেলা সংস্থা বিএনপিবি জানিয়েছে, শনিবার রাত থেকে বন্যার ফলে তানাহ দাতার রিজেন্সির পাঁচটি উপ-জেলা প্রভাবিত হয়েছে। বন্যার সঙ্গে প্রচুর কাদা এসে ব্যাপক এলাকা ঢাকা পড়েছে। সূত্র: ডয়েচে ভেলে
বিএনপিবি জানিয়েছে, তাদের সর্বশেষ মূল্যায়নে ৮৪টি আবাসন, ১৬টি সেতু এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে ভারি সরঞ্জামের মাধ্যমে দ্রুত রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

শনিবার মাঝরাতে মাউন্ট মেরাপিরনদীর শাখা ভেঙে প্রবল জলোচ্ছ্বাস দেখা দেয়। টানা বৃষ্টি এবং ভূমিধসের ফলে পশ্চিম সুমাত্রার আগাম এবং তানাহ দাতার জেলার পাহাড়ি গ্রামে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবেলা সংস্থার মুখপাত্র আবদুল মুহারি বলেছেন, কমপক্ষে ১০০টি বাড়িঘর ভেসে গেছে। 

বার্তাসংস্থা এপির খবরে বরা হয়, প্রবল বর্ষণ, ঠান্ডা লাভার প্রবাহ এবং কাদার স্রোত আগ্নেয়গিরির ঢাল বেয়ে নামায় আকস্মিক বন্যার সূত্রপাত ঘটেছে। ঠান্ডা লাভার স্রোত লাহার নামেও পরিচিত। এটি আগ্নেয় পদার্থ এবং নুড়ির মিশ্রণ, যা বৃষ্টির ফলে মাউন্ট মেরাপি আগ্নেয়গিরির ঢালে প্রবাহিত হয়েছিলো। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads