ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। তেহরান ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনায় একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। পাল্টা জবাবে শতাধিক ড্রোন দিয়ে ইসরাইলের তেল আবিবে হামলা চালিয়েছে ইরান। এই যুদ্ধাবস্থার মাঝেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে জর্ডান। খবর আলজাজিরা ও বিবিসির।

জর্ডানের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কায় আপাতত দেশটির আকাশসীমা বন্ধ থাকবে। উল্লেখ্য, এর আগেও ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র জর্ডানের আকাশসীমা অতিক্রম করেছিল।

১৩ জুন ভোরে ইসরাইল ‘রাইজিং লায়ন’ নামের এক সামরিক অভিযানে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়। হামলার লক্ষ্য ছিল ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অঞ্চলসহ ইরানের সামরিক ঘাঁটি। হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক নেতা জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি, বিপ্লবী গার্ডের প্রধান হোসেইন সালামি এবং পারমাণবিক শক্তি সংস্থার সাবেক প্রধান ফেরেয়দুন আব্বাসি নিহত হয়েছেন।

ইরানি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানায়, নিহতদের তালিকায় রয়েছেন পারমাণবিক বিজ্ঞানী মোহাম্মদ মেহেদি তেহরানচিও। তেহরানের একটি আবাসিক ভবনে ইসরাইলি হামলায় নারী ও শিশুসহ বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলেও জানায় সরকারি সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ।

ইসরাইল বলছে, ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেজন্যই এই আঘাত। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের হামলা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলবে এবং আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়াবে। পুরো অঞ্চল এখন এক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।

Walton Ads