গত শুক্রবার ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। নিহতদের মধ্যে ছিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ বাঘেরি, আইআরজিসি'র কেন্দ্রীয় কমান্ডার হোসেইন সালামি, খাতাম আল-আম্বিয়া কমান্ডার গোলামালি রশিদ এবং এরোস্পেস ফোর্স কমান্ডার আমির আলী হাজিজাদেহ।
এই সংকটময় মুহূর্তে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দ্রুত নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করেছেন। তিনি তিনটি পৃথক ডিক্রি জারি করে সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিযুক্ত করেছেন জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভিকে।
নতুন নিযুক্তরা হলেন:
আইআরজিসি'র নতুন কমান্ডার-ইন-চিফ: মোহাম্মদ পাকপুর (পূর্বে স্থল বাহিনী কমান্ডার)
খাতাম আল-আম্বিয়ার নতুন প্রধান: জেনারেল আলী শাদমানি
ইসলামিক রিপাবলিক আর্মির কমান্ডার: মেজর জেনারেল আমির হাতামি
আইআরজিসি এরোস্পেস ফোর্সের নতুন প্রধান: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি
খামেনি তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, "নিহত কমান্ডারদের উত্তরসূরিরা অবিলম্বে তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কোনোভাবেই দুর্বল হবে না।"
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান দ্রুত নতুন নেতৃত্ব গঠন করে ইসরায়েল ও পশ্চিমাদের কাছে শক্তির ইঙ্গিত দিতে চেয়েছে। তবে এই নতুন কমান্ডারদের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ইসরায়েলের সাথে চলমান সংঘাত সামাল দেয়া এবং ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পুনর্গঠিত করা।