ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সরাসরি ঘোষণা দিয়েছেন— “ইরান কখনোই ইসরায়েল বা জায়নবাদী শক্তির সঙ্গে আপস করবে না।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ একাধিক পোস্টে তিনি এমন হুঁশিয়ারি দেন। একটি ফার্সি ভাষার পোস্টে তিনি বলেন, “যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে।”
এই বক্তব্য এমন সময় এলো, যখন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু আমেরিকার এবিসি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইঙ্গিত দেন, খামেনিকে হত্যার মাধ্যমেই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দ্রুত শেষ হতে পারে। তিনি আরও বলেন, ইরান রাজনৈতিকভাবে অঞ্চলটিতে অগ্রগতির প্রধান অন্তরায় এবং ইসরায়েলের পদক্ষেপকে বিশ্বের গণতান্ত্রিক সমাজগুলোর বোঝা উচিত।
এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লেখেন, “আমরা জানি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা কোথায় আছেন। তিনি একটি সহজ লক্ষ্য, কিন্তু এখনই তাকে হত্যার পরিকল্পনা নেই।” তবে হুঁশিয়ার করে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের ধৈর্য ফুরিয়ে আসছে, নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ চাই।”
ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের আকাশসীমা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করছে এবং তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মার্কিন প্রযুক্তির তুলনায় দুর্বল। তিনি সরাসরি বলেন, “এই কাজ সবচেয়ে ভালো আমেরিকাই করতে পারে।”
এদিকে, অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, নেতানিয়াহুর সঙ্গে ট্রাম্প সরাসরি আলোচনা করেছেন এবং ভবিষ্যতে ইরানের ইউরেনিয়াম স্থাপনায় হামলার সম্ভাবনা নিয়ে কথাও হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।